প্রচ্ছদ / জায়েজ নাজায়েজ

জায়েজ নাজায়েজ

ভুলে বাড়িতে ফেলে যাওয়া বস্তু কি করা উচিত?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম। আহলে হক হক্কানী উলামায়ে কেরামের নেসবতে এবং পরিচালনায়, পরিপূর্ণ শার’য়ী পর্দার সাথে প্রতিমাসে অনেক মহিলা আমাদের বাড়িতে দ্বীনি মজলিসে বয়ান/তালিম শুনতে এসে থাকে। অনেক সময়ই তারা তাদের বিভিন্ন জিনিসপত্র ভুল করে আমাদের বাড়িতে রেখে চলে যাণ। এবং সেসব জিনিসপত্রগুলো আমরা নিজেদের জিনিস ভেবে ব্যবহারও করেছি।পরে, এগুলো আমাদের …

আরও পড়ুন

খুশিতে হাততালি দেয়ার হুকুম কী?

প্রশ্ন হাতে তালী বাজানোর হুকুম কী? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে তা অপছন্দনীয় এবং অহেতুক কাজ। তাই তা থেকে বিরত থাকা উচিত। (قَوْلُهُ وَكُرِهَ كُلُّ لَهْوٍ) أَيْ كُلُّ لَعِبٍ وَعَبَثٍ فَالثَّلَاثَةُ بِمَعْنًى وَاحِدٍ كَمَا فِي شَرْحِ التَّأْوِيلَاتِ وَالْإِطْلَاقُ شَامِلٌ لِنَفْسِ الْفِعْلِ، وَاسْتِمَاعُهُ كَالرَّقْصِ وَالسُّخْرِيَةِ وَالتَّصْفِيقِ وَضَرْبِ الْأَوْتَارِ …

আরও পড়ুন

ইদ্দত চলাকালীন সময়ে বিয়ে করা যাবে কি?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম জানা দরকার যে, মহিলা তালাক প্রাপ্ত হওয়ার তিন পিরিয়ড বা মিন্স  বা তিন মাসের ইদ্দত পালন করতে হয় এবং  সে যদি এই মাসের মধ্যে বিবাহ করে তাহলে তার বিবাহ কি হারাম হবে? উত্তর وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته بسم الله الرحمن الرحيم ইদ্দত চলাকালীন বিয়ে করা হারাম। ইদ্দত …

আরও পড়ুন

অন্যায়ের প্রতিবাদ বা ন্যায্য দাবী আদায়ের জন্য প্রচলিত হরতাল ও বিক্ষোভ প্রদর্শন কতটুকু শরীয়তসম্মত?

প্রশ্ন মুফতী সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন হল, ইসলামী বা রাষ্ট্রীয় কোন দাবী আদায়ের জন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে হরতাল করা, বিক্ষোভ প্রদর্শন করা কতটুকু শরীয়তসম্মত? দয়া করে জানাবেন। উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم অন্যায় ও জুলুমের প্রতিবাদ করা প্রতিটি ব্যক্তির সাধ্যানুপাতে দায়িত্ব। যাদের সরাসরি বন্ধ করার ক্ষমতা আছে তারা সরাসরি তা বন্ধ …

আরও পড়ুন

চেয়ারে বসে নামাযঃ দারুল উলুম করাচির নতুন ফাতওয়া!

প্রশ্ন :  মুহতারাম, কিছুদিন পূর্বে চেয়ারে বসে নামায বিষয়ে একটি রিসালা (পুস্তিকা) হাতে পেলাম, যা মূলত এ বিষয়ে জামেয়া দারুল উলূম করাচী-এর  ফতওয়া বিভাগ থেকে জারিকৃত বিভিন্ন সময়ের ফতওয়ার সংকলন। মাকতাবা দারুল উলূম করাচী থেকে প্রকাশিত। শুনেছি এর বাংলা অনুবাদও হয়েছে। এই রিসালা পড়ার পর আমার জেহেনে কিছু প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি এ সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমাকে কৃতজ্ঞ করবেন। প্রশ্নগুলো নিম্নরূপ : ১. রিসালাটির বিভিন্ন স্থানে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি জমিনের উপর সিজদা করতে অক্ষম সে যদি চেয়ারে নামায আদায় করে তাহলে তার উপর জরুরী সামনে তখতা, টেবিল বা অন্যকিছু রেখে তার উপর সিজদা করা। কারণ, এটাও নিয়মতান্ত্রিক সিজদা। সুতরাং যে ব্যক্তি এভাবে সিজদা করতে সক্ষম তাকে এভাবে সিজদা করতে হবে। শুধু ইশারার মাধ্যমে সিজদা করা সহীহ হবে না।’’ এখন আমার প্রশ্ন হল, বাংলাদেশের উলামায়ে কেরামকে তো মাসআলাটি এভাবে বলতে শুনিনি। এখানে তো সাধারণত দেখা যায় এ ধরনের মাযূর মুসল্লীগণ ইশারায় রুকু-সিজদা আদায় করেন। এখন উল্লিখিত ফওয়ার আলোকে আমাদের কী করা উচিত? ২. যে ব্যক্তি দাড়িয়ে নামায পড়তে সক্ষম কিন্তু রুকু সিজদা করতে সক্ষম নয়, অথবা রুকু করতে সক্ষম কিন্তু সিজদা করতে অক্ষম। আমাদের দরসী কিতাবাদীতে পড়েছি, এই ব্যক্তি দাড়িয়ে বা বসে যেভাবে ইচ্ছা নামায আদায় করতে পারবে। কিন্তু উত্তম হল, এই ব্যক্তি বসে নামায আদায় করবে এবং ইশারায় রুকু সিজদা করবে। আমি এক আলেমের কাছে এই মাসআলার দলীল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মুখতাসারু ইখতিলাফিল উলামা’তে (১ : ৩২৫) এর একটি দলীল উল্লেখ আছে। দারুল উলূম করাচী-এর রিসালায়ও এই মাসআলা এভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে আমার একটি বিষয়ে একটু খটকা লাগছে। তা হল, যে ব্যক্তি দাড়িয়ে নামায আদায় করতে সক্ষম তার দাড়িয়েই নামায আদায় করা উচিত। রুকু সিজদা করতে সক্ষম নয় তো রুকু সিজদা ইশারায় আদায় করবে। কিন্তু ‘কিয়াম’ (দাড়ানো) কেন ছেড়ে দেবে? এই মাসআলায় কি ফিকহে হানাফীতে শুধু একটিই ‘কওল’ (মত) নাকি অন্য ‘কওল’ও আছে? যদি থাকে তাহলে দলীলের আলোকে কোনটি বেশি মজবুত? ৩. আজকাল চেয়ারে বসে নামায পড়ার প্রবণতা খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক মানুষ তো শুধু আরামের জন্য চেয়ারে বসে নামায আদায় করেন। আবার কিছু মানুষ যদিও তাদের রুকু সিজদা করতে কষ্ট হয়, কিন্তু জমিনে বসে ইশারায় রুকু সিজদা করতে পারেন। তা সত্ত্বেও তারা নির্দ্বিধায় চেয়ারে বসে নামায আদায় করেন। আমার প্রশ্ন হল, শুধু আরামের জন্য চেয়ারে বসে নামায আদায় করা কি ঠিক? যদি কেউ তা করে তার নামায কি সহীহ হবে? আর যে ব্যক্তি জমিনে বসে নামায আদায় করতে পারে তার জন্য কি শুধু এই ওযরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করা সহীহ হবে যে, সে রুকু সিজদা করতে সক্ষম নয়? আশা করি বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে জানাবেন। আবুল কালাম  নারায়নগঞ্জ উত্তর :  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম এক. যে ব্যক্তি জমিনে সিজদা করতে অক্ষম তার ব্যপারে হুকুম হল, সে ইশারায় সিজদা আদায় করবে। এমন মাযূর ব্যক্তি যদি অন্য কোন কারণে চেয়ারে বসে নামায আদায় করেন তাহলেও তিনি ইশারায়ই সিজদা করবেন, সামনে তখতা বা টেবিল রেখে তাতে সিজদা করার প্রয়োজন নেই। যদি কেউ এমনটি করে তা সিজদা বলে গণ্য হবে না। অবশ্য এর দ্বারা যেহেতু ইশারার কাজ হয়ে যায় ফলে তার সিজদা আদায় হয়ে যাবে। চেয়ারে বসে সামনে তখতা বা টেবিল ইত্যাদির উপর কপাল রাখাকে দুই কারণে সিজদা বলা সহীহ নয়। ১. সিজদার জন্য শর্ত হল, উভয় হাঁটু জমিনের উপর রাখা। ২. সিজদার সময় কপালের অংশ কোমরের অংশ থেকে নীচু থাকা দরকার। চেয়ারে বসে সামনের কোন কিছুর উপর কপাল রাখলে উল্লিখিত উভয় শর্ত পাওয়া যায় না। সুতরাং সেটাকে হাকীকী সিজদা (নিয়মতান্ত্রিক সিজদা) বলা ঠিক নয়। আর আপনি মাকতাবা দারুল উলূম করাচী থেকে প্রকাশিত রিসালার বরাতে যে কথা লিখেছেন, তা যদিও দারুল উলূম করাচীরই কিছু ফতওয়ায় উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্প্রতি এই মাসআলার বিষয়ে উসতাযে মুহতারাম হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুমের এক সদ্য লিখিত ফতওয়া আমাদের হস্তগত হয়েছে। যাতে দারুল উলূম করাচী-এর দারুল ইফতার অন্যান্য হাযারাতের দস্তখতও রয়েছে। তাতে হযরত দামাত বারাকাতুহুম আগের ফতওয়া থেকে ‘রুজুর’ (প্রত্যাহারের) ঐ লেখায় হযরত ‘‘ফাতওয়া শামী’’র ঐ ‘ইবারাতের’ (বক্তব্য) উপর বিষদ আলোচনা করেছেন যার ভিত্তিতে দারুল উলূমের আগের ফতওয়া দেয়া হয়েছিল। এবং তিনি এটা প্রমাণ করেছেন যে, ঐ ইবারাতের ভিত্তিতে এই মাসআলার দলীল দেয়া সিদ্ধ নয়। তিনি স্পষ্ট লিখেছেন : “لہذا كرسى پر بيٹهكر سامنے كسى چيز پر سجدہ كرنے كو “سجدۂ حقيقيہ” (باقاعدہ سجدہ) كہنا درست نہين” ‘‘… তাই চেয়ারে বসে সামনে কোন কিছুর উপর সিজদা করাকে ‘হাকীকী সিজদা’ (নিয়মতান্ত্রিক সিজদা) বলা ঠিক নয়।’’ তিনি আরও লিখেছেন, كرسى پر بيٹهنے كى صورت پر علامہ …

আরও পড়ুন

নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আনতে ‘পজিটিভ থিংকিং’ কি নিষেধ?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম, আমি মোস্তফা কামাল। একটি বিশেষ প্রশ্ন ছিল। আমি “ল অব অ্যাট্রাকশন” কিংবা “পজিটিভ থিংকিং” নিয়ে আমার মনে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর চাইছিলাম। সংক্ষেপে বলছি, “ল অব অ্যাট্রাকশন” এ বলা হয় আমরা যা চাই তা যদি বিশ্বাস করি যে আমি তা এরইমধ্যে পেয়ে গেছি, তাহলে আমরা তা পেয়ে যাব” …

আরও পড়ুন

বন্ধকী জমিন বর্গা দিয়ে উপার্জন করা যাবে কি?

প্রশ্ন From: সুহায়েল আহমাদ বিষয়ঃ বন্ধকী জমিন বর্গা দেওয়া প্রশ্নঃ প্রশ্ন: আমার নিকট একজন লোক জমিন বন্ধক রেখেছে, আমি উক্ত জমিন অন্যের কাছে কৃষি কাজের বর্গা দিলাম ,জানার জানার বিষয় হল, বন্ধকের জমিন এভাবে বর্গা দেওয়া জায়েজ আছে কি না এবং উৎপাদিত ফসলের হুকুম কি হবে ? উত্তর بسم الله …

আরও পড়ুন

সৎ বোনের মেয়ে তথা সৎ ভাগ্নিকে বিয়ে করা যাবে কি?

প্রশ্ন সৎ মায়ের মেয়ের ঘরের মেয়েকে বিয়ে করা যাবে কি? অর্থাৎ বাবার দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ের মেয়ে। অর্থাৎ সৎ ভাগ্নিকে, মানে সৎ বোনের মেয়েকে বিয়ে করা যাবে কি না? দয়া করে জানাবেন। উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم না, যাবে না। এটা হারাম। বাবার আরেক স্ত্রীর সন্তানরা আপন ভাই বোনের মতই। সুতরাং …

আরও পড়ুন

প্রচলিত কারীদের মুখ বিকৃত করে অদ্ভুত সুরে কুরআন তিলাওয়াত করা কতটুকু শরীয়তসম্মত?

প্রশ্ন মুফতী সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন হল, বর্তমানে প্রচলিত কিছু কারী সাহেব আছেন, যারা কুরআনের তিলাওয়াত বড় আশ্চর্য তরীকায় করে থাকেন। তিলাওয়াত করতে গিয়ে অতি উচ্চস্বর ও নিম্নস্বর করতে গিয়ে  চেহারা বিকৃতি এবং বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে থাকেন। এভাবে সুরের ব্যাঞ্জনা তৈরীতে চেষ্টা করে মানুষকে আকৃষ্ট করে থাকে। আমার প্রশ্ন হল, …

আরও পড়ুন

হায়েজা অবস্থায় বিবাহ করা মহিলাকে সহবাস ছাড়া তালাক দিলে ইদ্দত পালন করতে হবে কি?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম আমি হুজুর অনেক বড় সমস্যায় আছি। আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ফ্যামিলির জন্য আমি বিয়ে করতে রাজি হই। বিয়ের আগের দিন আমার পিরিয়ড হয়, আর আমার বিয়ের দিনের ৩ রাত পর্যন্ত আমার স্বামী আমার সাথে ঘুমায়। পিরিয়ড এর জন্য আবার আমার ইচ্ছা ছিল না বিধায় সে আমার সাথে কোন …

আরও পড়ুন
আহলে হক্ব বাংলা মিডিয়া সার্ভিস