প্রচ্ছদ / আহলে হাদীস / তাকলীদের হাকীকতঃ একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা [পর্ব-১]

তাকলীদের হাকীকতঃ একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা [পর্ব-১]

লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (2) الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (3) مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (4) إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5) اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ (6) صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ (7)

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। যিনি বিচার দিনের মালিক। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। {সূরা ফাতিহা-১-৭}

তাকলীদের হাকীকত বুঝার সহজ উপায় হল, আমাদের আকাবীরে দেওবন্দের কিতাব ভাল করে মুতালাআ করা। কারণ আমরা যতই কিতাব পড়ি না কেন, আমাদের পড়াশোনার দৌড় আকাবীরদের মুতালাআ পর্যন্ত পৌঁছা খুবই দুস্কর। মাহমুদ হাসান দেওবন্দী রহঃ, হুজ্জাতুল ইসলাম কাসেম নানুতবী রহঃ, হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানবী রহঃ, শাইখুল আরব ওয়াল আজম সাইয়্যেদ হুসাইন আহমাদ মাদানী রহঃ, মুনাজিরে ইসলাম সরফরাজ খান সফদর রহঃ, মুনাজিরে ইসলাম মুহাম্মদ আমীন সফদর রহঃ সহ আকাবীরে উলামাগণের লিখিত কিতাব পড়লে তাকলীদ বিষয়ে আমাদের সকল সন্দেহ-সংশয় দুরিভূত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। কারণ আমাদের সমঝ, আর তাদের সমঝের মাঝে আকাশ পাতাল পার্থক্য। নিজে নিজে শত কিতাব পড়ে যা বুঝে আসে না, তাদের একটি কিতাব পড়ে এরচে’ হাজার গুণ বেশি বুঝে আসে। কুরআন ও হাদীস নিজে নিজে পড়ে অনেকে ভ্রান্ত হয়ে থাকে। তাই বড়দের কিতাব পড়া সবার জন্য জরুরী। আল্লাহ তাআলা আমাদের আকাবীরে দেওবন্দের বাতলানো কুরআন সুন্নাহের পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।

যদি কোথাও আকাবীরদের কোন ইবারত কুরআন বা হাদীসের বিপরীত মনে হয়, তাহলে এ বিষয়ে প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছে এর ব্যাখ্যা জিজ্ঞাসা করে নিলে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

সংক্ষেপে এখানে তাকলীদের হাকীকত উপস্থাপন করা হচ্ছে।

ইসলামী শরীয়তের বুনিয়াদী বিষয়

ইসলামী শরীয়তে বুনিয়াদী বিষয় হল দু’টি। যথা-১- আকায়েদ। ২- মাসায়েল।

আকায়েদের মাঝে বুনিয়াদী আক্বিদা হল, তাওহীদ। আর মাসায়েলের মাঝে বুনিয়াদী মাসআলা হল তাকলীদ।

যদি ব্যক্তি তাওহীদ না মানে, তাহলে তার রেসালাত মানার কোন ফায়দা নেই। তেমনি যদি কেউ তাওহীদ না মানে, তাহলে আখেরাত মানার কোন ফায়দাই নেই। কারণ আল্লাহর নবী দুনিয়াতে আসার মৌলিক কারণ হল, আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ তথা তাওহীদকে মানুষের কাছে পৌছে দেয়া।

هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ [٦١:٩]

তিনি তাঁর রসূলকে পথ নির্দেশ ও সত্যধর্ম নিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে একে সব ধর্মের উপর প্রবল করে দেন যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। {সূরা সফ-৯}

রাসূল সাঃ নবুওতপ্রাপ্তির পর সর্ব প্রথম যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তা তাওহীদ নিয়ে। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছিলেন- يا أيها الناس قولوا لا إله إلا الله تفلحوا

অর্থাৎ হে লোক সকল! বল আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, সফলকাম হয়ে যাবে। {সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-১৮৬, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৫১৮, সহীহ ইবেন খুজাইমা, হাদীস নং-৮২, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১৬০২৩}

নবীর কাজ হল, আল্লাহ তাআলার তাওহীদও শিক্ষা দিবেন। সেই সাথে মাসায়েলও শিক্ষা দিয়ে থাকেন। নবী আল্লাহ ও বান্দার মধ্যকার মাধ্যম হয়ে থাকেন।

নবীর অনুগত্ব মূলত আল্লাহ তাআলাকে মানার উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ তাআলা নবীকে মানতে বলেছেন তাই নবীকে মানা আবশ্যক। তাই আকায়েদের মাঝে মূল হল তাওহীদ।

মাসায়েলের মাঝে বুনিয়াদী বিষয় হল তাকলীদঃ কেন?

কারণ হল, প্রত্যেক ব্যক্তি কুরআনের সকল আয়াতের অর্থ বুঝা, তার শানে নুজুল বুঝা, হাদীস বুঝা, হাদীসের সনদ মতনের পার্থক্য বুঝা। সনদ সম্পর্কে বক্তব্য বুঝা। জরাহ-তাদীল সম্পর্কে সম্মক অবগতি থাকা এটি সকল মানুষের জন্য অসম্ভব বিষয়। তাই এক্ষেত্রে তাকলীদ ছাড়া কোন গত্যান্তর নেই।

তাকলীদ কী জিনিস বুঝে আসলে সব কিছু সহজ হয়ে যাবে। শরীয়তের উপর আমল করা সহজ হয়ে যাবে যদি তাকলীদ করা হয়। নতুবা আমল করা হয়ে যাবে অসম্ভপর বিষয়।

সূরা ফাতিহা হল পুরো কুরআনের সারাংস। সূরা ফাতিহা প্রথমাংশে তাওহীদ। আর দ্বিতীয়াংশে তাকলীদ বর্ণিত হয়েছে।

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (2) الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (3) مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (4) إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5) পর্যন্ত তাওহীদের কথা আলোচনা হয়েছে। কারণ এ পাচ আয়াতে সব ক’টিতেই আল্লাহ তাআলার সিফাত বর্ণিত। যা তাওহীদ প্রকাশক। আর এর পর বলা হয়েছে  “আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ”।

সীরাতে মুস্তাকীম তথা সরল পথ বলতে কাদের পথ? আল্লাহ তাআলাই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যাদের উপর নিয়াম বর্ষিত করা হয়েছে, তাদের পথই হল সরল পথ তথা সীরাতে মুস্তাকীম।

কাদের উপর নিয়ামত বর্ষন করা হয়েছে? আমরা জানি, কুরআনের কতিপয় আয়াত কতিপয় আয়াতের তাফসীর হয়ে থাকে। আমরা দেখতে পাই আল্লাহ তাআলা নিয়ামাতপ্রাপ্ত বান্দা কারা? তাদের তালিকা কুরআনে কারীমে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে-

وَمَن يُطِعِ اللَّهَ وَالرَّسُولَ فَأُولَٰئِكَ مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِم مِّنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ ۚ وَحَسُنَ أُولَٰئِكَ رَفِيقًا [٤:٦٩]

আর যে কেউ আল্লাহর হুকুম এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য করবে, তাহলে যাঁদের প্রতি আল্লাহ নেয়ামত দান করেছেন, সে তাঁদের সঙ্গী হবে। তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাদের সান্নিধ্যই হল উত্তম। {সূরা নিসা-৬৯}

তাহলে কী দাঁড়াল?

নবীগন যে পথে চলেন সে পথ মানেই সীরাতে মুস্তাকীম। আর তাদের গন্তব্য হল জান্নাত।

সিদ্দীকীন তথা সাহাবাগণ যে পথে চলেন সে পথ মানেই সীরাতে মুস্তাকীম। আর তাদের গন্তব্য হল জান্নাত।

শহীদগণ যে পথে চলেন সে পথ মানেই সীরাতে মুস্তাকীম। আর তাদের গন্তব্য হল জান্নাত।

সালেহ তথা বুযুর্গগন যে পথে চলেন সে পথ মানেই সীরাতে মুস্তাকীম। তাদের গন্তব্যও জান্নাত।

অর্থাৎ তারা যে পথে চলছেন সে পথে চললে তারা যেখানে গিয়ে পৌঁছবেন, আমরাও সেখানে গিয়ে পৌঁছবো। যেহেতু তাদের পথ সীরাতে মুস্তাকীম। আর তাদের গন্তব্য জান্নাত। তাই আমরা তাদের পথে চললে জান্নাতে পৌঁছে যাবো ইনশাআল্লাহ।

এ বিষয়টি আমাদের ভাল করে বুঝতে হবে।

উদাহরণতঃ

গুলিস্তান থেকে তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টারে আসতে চাওয়া এক ব্যক্তিকে পথের নির্দেশনা আমরা দেই যে, আপনি প্রথমে গুলিস্তান থেকে মেইন রোডে আসুন, তারপর সোজা উত্তর দিকে আসুন, তারপর পশ্চিম দিকে আসুন, তারপর আবার পশ্চিমে আসুন, তারপর আবার উত্তরে আসুন। তারপর পাচ ছয়টি রাস্তা পাড় হয়ে রামপুরা বাজারে আসুন। তারপর সেখান থেকে পশ্চিম দিকের ওয়াপদা রোডে আসুন। তারপর পাওয়ার হাউজে আসুন। তারপর বাম দিকের গুলিতে ঢুকুন। গলির দু’টি বিল্ডিং পর ৭তলা বিল্ডিংয়ের ছয় তলায় তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার।

এভাবে কাউকে আমরা তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টারে আসার পথ বলতে পারি। কিন্তু অপরিচিত ব্যক্তি এ নির্দেশনা ফলো করে গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছা খুবই কঠিন। কিন্তু যদি তাকে বলে দেয়া হয় যে, আপনি যেখানে আছেন, সেখান থেকে এক লোক তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট ভাল করে চিনে। আপনি তার পিছনে পিছনে চলে আসুন। ব্যস। কত সহজ তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টারে আসা তাই নয়কি?

ঠিক তেমনি কুরআন হাদীস মন্থন করে সীরাতে মুস্তাকীমের উপর চলা খুবই কঠিন। তাই আল্লাহ তাআলা তাকলীদের সহজ পথ বাতলে দিয়েছেন। চার তবক্বার যে কোন একজনের তাকলীদ করলেই গন্তব্য জান্নাতে পৌছে যাওয়া যাবে।

আয়াতে কারীমায় চার তবক্বার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম তবক্বা হল, নবীগণ। এ তবক্বা দ্বারা কাদিয়ানীরা বেরিয়ে গেছে। কারণ তারা এমন ব্যক্তিকে নবী মানে যে ব্যক্তি নয়।

আর সিদ্দীক বলে শিয়া রাফেজীরা বেরিয়ে গেছে। কারণ শিয়ারা সাহাবাগণকে মানে না।

আর শুহাদা বলার দ্বারা আহলে বিদআত বেরিয়ে গেছে। কারণ তাদের কাছে কেউ শহীদ নয়।

আর যখন সালেহীন বলা হয়েছে, তখন মামাতী তথা যারা রাসূল সাঃ কে কবরে মৃত বিশ্বাস করে তারা এবং গায়রে মুকাল্লিদরা বেরিয়ে গেছে। কারণ তারা আউলিয়াদের মানে না।

শুধুমাত্র দেওবন্দীগণই চার তবক্বাকেই মেনে থাকে। নবীগণকেও মানেন। সাহাবাগণকেও মানেন। শহীদকেও মানেন। আউলিয়াদেরও মানেন। তাই হাকীকী সীরাতে মুস্তাকীমে আছেন উলামায়ে দেওবন্দ আলহামদুলিল্লাহ।

কুরআনে কারীমের ১১৪ সূরার মাঝে সূরা ফাতিহা হল সারাংস। আর বাকি ১১৩ সূরা হল বিস্তারিত। আর সুরা ফাতিহার মাঝে মৌলিকভাবে দুটি বুনিয়াদী বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে। অর্ধেকের মাঝে তাওহীদ। আর বাকি অর্ধেকে তাকলীদ।

রঈসুল মুনাজিরীন মুহাম্মদ আমীন সফদর রহঃ বলেনঃ সূরা ফাতিহা নিয়ে ঝগড়াকারী দুই দল তৈরী হয়েছে। যথা-১- ফাতিহা খালফাল ইমাম। ২- ফাতিহা আলাত তাআম।

একদল আছে, আপনি নামায শেষ করলে জিজ্ঞাসা করবে যে, আপনি ইমামের পিছনে নামায পড়েছেন?

-হ্যাঁ পড়েছি।

– ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পড়েছেন?

– না পড়িনি।

– তাহলে আপনার নামায হয়নি।

– ইমামের অনুসরণ তথা তাকলীদ করার দ্বারাতো আমার ফাতিহাও হয়ে গেছে।

– না হয়নি।

এই হল এক তবক্বা। যারা সূরা ফাতিহা নিয়ে ঝগড়া করে থাকে। এরা তাওহীদকে মানে আর তাকলীদ নিয়ে ঝগড়া করে থাকে।

আরেক দলের কাজ হল। আপনার কোন আত্মীয় মারা গেলে যদি আপনি গরীব দুঃখিকে খানা পাকিয়ে খাওয়ান। তাহলে এসে বলবে- আপনার মৃত আত্মীয়র জন্য ঈসালে সওয়াব করেন?

-হ্যাঁ, অবশ্যই করে থাকি।

– কিভাবে?

– আমি গরীবদের মাঝে খানা পাকিয়ে খাইয়েছি।

– খানা খাওয়ানোর সময় সূরা ফাতিহা পড়েছেন?

– না পড়িনি।

– তাহলে আপনার ঈসালে সওয়াব হয়নি।

এই হল আরেক তবক্বা। এরা তাকলীদ মেনে তাওহীদ অস্বিকার করে ঝগড়া করে থাকে। এ দুই দল হল ফাতিহা নিয়ে ঝগড়া করে থাকে। আর আমরা দেওবন্দীরা ফাতিহা নিয়ে ঝগড়া করি না। আমরা তাওহীদও মানি, সেই সাথে তাকলীদও মানি। ঝগড়াকারী হল, ফাতিহা খালফাল ইমামওয়ালা আর ফাতিহা আলাত তাআমওয়ালারা।

মান্যকারীরা ঝগড়াটে হয়? না অস্বিকারকারী ঝগড়াটে হয়? আলহামদুলিল্লাহ আমরা মান্যকারী। অস্বিকারকারী ঝগড়াটে নয়।

আলোচনা চলছিল ইসলামী শরীয়তে বুনিয়াদী বিষয় দু’টি। আকায়েদ ও মাসায়েল। আকায়েদের মাঝে বুনিয়াদী আক্বিদা তাওহীদ। আর মাসায়েলের বুনিয়াদী মাসআলা তাকলীদ। তাওহীদ ছাড়া আকায়েদের কোন ধর্তব্যতা নেই। আর তাকলীদ ছাড়া মাসআলার উপর আমল করা অসম্ভব।

২য় পর্ব

আরও জানুন

কিয়ামতের আলামতসমূহ (পর্ব-৬)

লুৎফুর রহমান ফরায়েজী ৫ম পর্বটি পড়ে নিন অধিক হারে মিথ্যা বলা হবে عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، …

No comments

  1. Engr. shakil khan Q I

    JAJAKALLAH.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আহলে হক্ব বাংলা মিডিয়া সার্ভিস