হোম / নামায/সালাত/ইমামত (page 5)

নামায/সালাত/ইমামত

মক্কায় মুকীম ব্যক্তি মিনা আরাফা মুজদালিফায় ও মুকীম থাকবে না মুসাফির?

প্রশ্ন ৮ই জিলহজ্বের পূর্বে মক্কায় মুকীম হিসেবে অবস্থান করে মিনা আরাফা মুজদালিফায় মুসাফির হিসেবে বিবেচনা করে আমল করা যাবে কিনা? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم কোন ব্যক্তি যদি প্রথমেই মক্কায় পনের দিন অবস্থান করে ফেলে, তাহলে সে মুকীম হয়ে যায়। এরপর মিনা, মুযদালিফা এবং আরাফায়ও মুকীম হিসেবেই বাকী থাকে। তাই …

আরো পড়ুন

আরাফা ও মুযদালিফায় দুই নামায একত্রে পড়া হয় কেন?

প্রশ্ন আসসালামু য়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। হযরত আমরা জানি যে, হাজ্জের সময় আরাফার ময়দানে  নামাজকে জাময়ুত তাক্বদীম ও মুজদালিফায় জাময়ুত তাখির  করতে হয়,কিন্তু নির্ধারিত ওয়াক্তেতো নামাজ আদায় করা ফরজ। যেহেতু হুজুর (স): করেছেন তাই তাতে  প্রশ্নহীন আনুগত্য করতে হবে এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই,আমার জিজ্ঞাসা হলো এর পেছনে কি কোনো কারণ …

আরো পড়ুন

বিতির নামাযের তৃতীয় রাকাতে তাকবীর দিয়ে হাত উঠানোর কোন প্রমাণ নেই?

প্রশ্ন শ্রদ্ধেয় মুফতী সাহেব। আশা করি ভাল আছেন। আপনাদের ওয়েব সাইটের প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে আমরা অনেক উপকৃত হচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ। একটি প্রশ্ন ছিল। আমাদের এলাকায় কিছু ভাই প্রবাস থেকে এসে নতুন ফিতনা শুরু করেছে। তারা বলতেছে যে, বিতর সালাতের তৃতীয় রাকাতে তাকবীর বলে হাত উঠিয়ে আবার হাত বেধে যেভাবে আমরা দুআয়ে কুনুত …

আরো পড়ুন

রমজানের শেষ দশকে বিতরের আগে দুই রাকাত লাইলাতুল কদর পড়ার বিধান কী?

প্রশ্ন জনাব, আসসালামু আলাইকুম । আমরা ছোট বেলা থেকেই রমজানের শেষের দশ দিনের বেজোড় রাত গুলোতে দুই রাকাত শবে কদরের নামাজ পড়ে আসছি, এবং সেটা তারাবি শেষে বিতর নামাজের আগে পড়ি । তো আমাদের মসজিদের বর্তমান ইমাম সাহেব তারাবি শেষে বিতর পড়ে ফেলেন এবং বলেন যে এইটা কোন নিয়ম না …

আরো পড়ুন

নামায পড়তে না পারলে কী রোযা রাখা যাবে না?

প্রশ্ন বিসমিহিতা আলা একজন মেয়ে হিন্দু হতে মুসলিম হয়েছে তার কারনে বাসা হতে সমস্যা হচ্ছে তবুও সে নিয়মিত রোজা রেখে যাচ্ছে তবে নামায পড়ার সুযোগ নেই, কোন মতেই নামাজ পড়তে পারতেছে না, যখনই সুযোগ পায় নামায পড়ে। এই অবস্থায় সে যদি নামাজ পড়তে না পারে তাহলে কি সে রোজা রাখবে …

আরো পড়ুন

অন্ধকারে নামায পড়লে মাকরূহ হবে?

প্রশ্ন হযরত! আমাদের মসজিদে কিছুদিন পূর্বে তারাবীহর সময় একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়। একদল লাইট অফ করে দেয়, আরেকদল লাইট জ্বালানোর পক্ষে চিল্লাচিল্লি করে। একজন ফতোয়াও দিয়ে ফেলে অন্ধকার অবস্থায় নামাজ পড়লে মাকরূহ হবে! মসজিদে এমন অন্ধকার ছিলোনা যে সিজদার স্থান দেখা যায় না। এমন অবস্থায় গরমের দিনে লাইট অফ করে …

আরো পড়ুন

সূরা ক্বারিয়ার ‘ফাআম্মান ছাক্বুলাত মাওয়াযীনুহু” এর পর “ফাউম্মুহু হাউয়িয়াহ” পড়লে হুকুম কী?

প্রশ্ন মাননীয় মুফতী সাহেব৷ আপনার নিকট জানতে চাই, কেউ যদি নামাযে সুরা ক্বারিয়ার فأما من ثقلت موا زينه পড়ার পর فأمه هاويه পড়ে,এবং এভাবেই নামায শেষ করে৷ তাহলে তার নামাযের হুকুম কি? অনুগ্রহ করে দলীলভিত্তিক উত্তর দিয়ে বাধিত করবেন। উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাবার দরূন নামায …

আরো পড়ুন

তারাবী ও তাহাজ্জুদ কী একই সালাত?

ডাউনলোড লিংক ডেইলিমোশন থেকে দেখতে ক্লিক করুন লিখিত প্রবন্ধঃ তারাবীহ তাহাজ্জুদ ভিন্ন নামাযঃ এক নামায বলা তারাবীহ অস্বিকার করার নিফাকী পদ্ধতি

আরো পড়ুন

ফরজ গোসল না করে সেহরী খেয়ে সকালে গোসল করলে রোযা হবে কি?

প্রশ্ন হুজুর, রোযার মাসে রাতে সহবাসের পর যদি সেহরী খেয়ে নেয়। তারপর সকালে গোসল করে ফজরের নামায আদায় করে নেয়। তাহলে রোযা কি রোযা হবে? মহিলাদের শেষ রাতে গোসল করতে সমস্যা হয়ে যায়,সেই ক্ষেত্রে কী করবে? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم রোযা হয়ে হবে। কিন্তু ফজরের নামায ইচ্ছেকৃত কাযা করার …

আরো পড়ুন

রোযা রেখে তারাবীহ না পড়লেও কি চলবে?

প্রশ্ন আমি জানতে চাই রোজা রেখে তারাবীর নামাজ না পড়লে কি চলবে? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم রোযা রাখা ফরজ আর তারাবীহ নামায পড়া সুন্নাতে মুআক্কাদা। তাই না পড়লে সুন্নত ছেড়ে দেবার গোনাহ হবে। এ কারণে রোযা রাখার সাথে সাথে তারাবীহ নামাযও নিয়মিত আদায় করতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম …

আরো পড়ুন

ফজরের জামাত চলা অবস্থায় সুন্নত পড়ার বিধান!

মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহমান পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের গুরুত্ব ও ফযীলত অসীম। এই নামাযের একটি বিধান হচ্ছে জামাতের সাথে আদায় করা। এটা ওয়াজিব। হাদীসে জামাতের প্রতি সবিশেষ উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং তাতে অবহেলার ব্যাপারে কঠোর সতর্ক করা হয়েছে। এক হাদীসে আছে, জামাতের নামায একাকী নামাযের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি মর্যাদা রাখে। -সহীহ বুখারী, হাদীস …

আরো পড়ুন

এক ইমাম ঈদের একাধিক জামাতের ইমামতী করতে পারবে কী?

প্রশ্ন মোহতারাম: আমাদের মসজিদে জালালাবাদে ঈদের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দুঃখের বিষয় দুনোটি জামাতের ইমামতি’ই সফিউল্লাহ সাহেব করেন। ঘটনার সার সংক্ষেপ হল । সফিউল্লাহ সাহেবের সাথে আরেক জন হাফেজ মাওলানা এক মাস জাবত মসজিদে ছিলেন । যাকে খতমে তারাবির জন্য আনা হয়েছিল। সফিউল্লাহ সাহেব মাওলানাকে বল্লেন ঈদের দ্বিতিয় জামাতের ইমামতি একজন পাকিস্তানী করবেন।কিন্তু সফিউল্লাহ সাহেব …

আরো পড়ুন