প্রচ্ছদ / Tag Archives: জরুরী মাসায়েল (page 2)

Tag Archives: জরুরী মাসায়েল

ইমামের স্ত্রী চরিত্রহীন হলে উক্ত ইমামের পিছনে ইক্তিদা সহীহ হবে কি?

প্রশ্ন ওই ইমামের পিছনে নামাজ হবে কি না যার স্ত্রী পরপুরুষের সাথে অবাধে মেলামেশা করে। এবং স্ত্রী তার অবাধ্য। তবে ইমাম সাহেব খুব ভাল মানুষ। দয়া করে উত্তর জানাবেন!!! উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم যদি ইমাম সাহেব তার স্ত্রীকে খারাপ কাজ থেকে ফিরাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করে। কিন্তু তার সাথে পেরে …

আরও পড়ুন

ঈদের নামায একজন এবং খুতবা আরেকজন পড়লে হবে কি?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মুহতারাম মুফতি সাহেব দাঃ বাঃ,আমি মাহদী মৌলভীবাজার থেকে। ঈদের নামাযের ইমামতি একজন আর খুতবা অন্যজন পড়ার হুকুম কি? দয়া করে দলীলসহ জানালে উপকৃত হব। উত্তর وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته بسم الله الرحمن الرحيم জায়েজ আছে। নামায হয়ে যাবে। সমস্যা নেই।[আপ কি মাসায়েল আওর উনকা …

আরও পড়ুন

Google adsence থেকে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে ইনকাম করার হুকুম কী?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নটি ইন্টার্নেট সম্পর্কিত। . আমার প্রশ্নটি হচ্ছে, আমি ইউটিউব এ ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে টাকা উপার্জনের যে ব্যবস্থা আছে তা করতে চাই। এটা হালাল হবে কি না এটা আমার প্রথম প্রশ্ন। . আমার প্রশ্নটা একটু বিস্তারিত বলি। আমি ইউটিউব এ Android,Computer বা Internet  এর বিভিন্ন সমস্যা …

আরও পড়ুন

ইসলামী ব্যাংকে জমানো টাকার লভ্যাংশ গ্রহণ কি জায়েজ?

প্রশ্ন From: Abdullah-Al-Masum বিষয়ঃ Islami Bank e FDR প্রশ্নঃ আমি শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক এ কিছু টাকা রেখেছি/ লভ্যাংশ হার নির্দিষ্ট নয়, প্রাক্কালিত একটা হার লেখা থাকে,- যা পরিবর্তিত হতে পারে, এমন টাই বলে তারা। এখান থেকে প্রাপ্য লভ্যাংশ হালাল হবে কি? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم আমাদের তাহকীক মতে ইসলামী …

আরও পড়ুন

ব্যাংকে স্বর্ণ রেখে টাকা ধার নেয়ার হুকুম কী?

প্রশ্ন ব্যাংকে স্বর্ণ রেখে টাকা ধার নেয়ার হুকুম কী? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم জায়েজ নেই।  কারণ, ঋণ ব্যাংক এ ঋণের বদলে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করে থাকে যা সুদ। তাই তা বৈধ নয়। (قَوْلُهُ: كُلُّ قَرْضٍ جَرَّ نَفْعًا حَرَامٌ) أَيْ إذَا كَانَ مَشْرُوطًا كَمَا عُلِمَ مِمَّا نَقَلَهُ عَنْ الْبَحْرِ، وَعَنْ …

আরও পড়ুন

SPC (এসপিসি) এর পরিচয় ও শরয়ী বিধান

প্রশ্ন السلام عليكم ورحمة الله وبركاته জনাব মুফতি সাহেব আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমি S P C এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। উত্তর وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته بسم الله الرحمن الرحيم S P C এর পূর্ণ রূপ হল, “সুপার পাওয়ার  কমিউনিটি”।  এটি মূলত একটি নতুন মোড়কে এমএলএম তথা …

আরও পড়ুন

সরকারী লোন নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করার হুকুম কী?

প্রশ্ন From: মো:মোস্তাফা কামাল বিষয়ঃ সরকারি লোন নিয়ে বাড়ি করা যাবে কি? প্রশ্নঃ আমাকে করয দেয়ার মত কেউ নেই বলতে যে পরিমাণ দাগবে সেই পরিমাণ দেওয়ার মত কেউ নেই। আমার কোন বাড়িও নেই। আমি সরকারি চাকরি করি এবং সরকারি কোয়ার্টারে ভাড়া থাকি। সরকারি চাকরিতে বাড়ি করা বাবত সরকারি ভাবে যে …

আরও পড়ুন

চেয়ারে বসে নামাযঃ দারুল উলুম করাচির নতুন ফাতওয়া!

প্রশ্ন :  মুহতারাম, কিছুদিন পূর্বে চেয়ারে বসে নামায বিষয়ে একটি রিসালা (পুস্তিকা) হাতে পেলাম, যা মূলত এ বিষয়ে জামেয়া দারুল উলূম করাচী-এর  ফতওয়া বিভাগ থেকে জারিকৃত বিভিন্ন সময়ের ফতওয়ার সংকলন। মাকতাবা দারুল উলূম করাচী থেকে প্রকাশিত। শুনেছি এর বাংলা অনুবাদও হয়েছে। এই রিসালা পড়ার পর আমার জেহেনে কিছু প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি এ সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমাকে কৃতজ্ঞ করবেন। প্রশ্নগুলো নিম্নরূপ : ১. রিসালাটির বিভিন্ন স্থানে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি জমিনের উপর সিজদা করতে অক্ষম সে যদি চেয়ারে নামায আদায় করে তাহলে তার উপর জরুরী সামনে তখতা, টেবিল বা অন্যকিছু রেখে তার উপর সিজদা করা। কারণ, এটাও নিয়মতান্ত্রিক সিজদা। সুতরাং যে ব্যক্তি এভাবে সিজদা করতে সক্ষম তাকে এভাবে সিজদা করতে হবে। শুধু ইশারার মাধ্যমে সিজদা করা সহীহ হবে না।’’ এখন আমার প্রশ্ন হল, বাংলাদেশের উলামায়ে কেরামকে তো মাসআলাটি এভাবে বলতে শুনিনি। এখানে তো সাধারণত দেখা যায় এ ধরনের মাযূর মুসল্লীগণ ইশারায় রুকু-সিজদা আদায় করেন। এখন উল্লিখিত ফওয়ার আলোকে আমাদের কী করা উচিত? ২. যে ব্যক্তি দাড়িয়ে নামায পড়তে সক্ষম কিন্তু রুকু সিজদা করতে সক্ষম নয়, অথবা রুকু করতে সক্ষম কিন্তু সিজদা করতে অক্ষম। আমাদের দরসী কিতাবাদীতে পড়েছি, এই ব্যক্তি দাড়িয়ে বা বসে যেভাবে ইচ্ছা নামায আদায় করতে পারবে। কিন্তু উত্তম হল, এই ব্যক্তি বসে নামায আদায় করবে এবং ইশারায় রুকু সিজদা করবে। আমি এক আলেমের কাছে এই মাসআলার দলীল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মুখতাসারু ইখতিলাফিল উলামা’তে (১ : ৩২৫) এর একটি দলীল উল্লেখ আছে। দারুল উলূম করাচী-এর রিসালায়ও এই মাসআলা এভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে আমার একটি বিষয়ে একটু খটকা লাগছে। তা হল, যে ব্যক্তি দাড়িয়ে নামায আদায় করতে সক্ষম তার দাড়িয়েই নামায আদায় করা উচিত। রুকু সিজদা করতে সক্ষম নয় তো রুকু সিজদা ইশারায় আদায় করবে। কিন্তু ‘কিয়াম’ (দাড়ানো) কেন ছেড়ে দেবে? এই মাসআলায় কি ফিকহে হানাফীতে শুধু একটিই ‘কওল’ (মত) নাকি অন্য ‘কওল’ও আছে? যদি থাকে তাহলে দলীলের আলোকে কোনটি বেশি মজবুত? ৩. আজকাল চেয়ারে বসে নামায পড়ার প্রবণতা খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক মানুষ তো শুধু আরামের জন্য চেয়ারে বসে নামায আদায় করেন। আবার কিছু মানুষ যদিও তাদের রুকু সিজদা করতে কষ্ট হয়, কিন্তু জমিনে বসে ইশারায় রুকু সিজদা করতে পারেন। তা সত্ত্বেও তারা নির্দ্বিধায় চেয়ারে বসে নামায আদায় করেন। আমার প্রশ্ন হল, শুধু আরামের জন্য চেয়ারে বসে নামায আদায় করা কি ঠিক? যদি কেউ তা করে তার নামায কি সহীহ হবে? আর যে ব্যক্তি জমিনে বসে নামায আদায় করতে পারে তার জন্য কি শুধু এই ওযরে চেয়ারে বসে নামায আদায় করা সহীহ হবে যে, সে রুকু সিজদা করতে সক্ষম নয়? আশা করি বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে জানাবেন। আবুল কালাম  নারায়নগঞ্জ উত্তর :  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম এক. যে ব্যক্তি জমিনে সিজদা করতে অক্ষম তার ব্যপারে হুকুম হল, সে ইশারায় সিজদা আদায় করবে। এমন মাযূর ব্যক্তি যদি অন্য কোন কারণে চেয়ারে বসে নামায আদায় করেন তাহলেও তিনি ইশারায়ই সিজদা করবেন, সামনে তখতা বা টেবিল রেখে তাতে সিজদা করার প্রয়োজন নেই। যদি কেউ এমনটি করে তা সিজদা বলে গণ্য হবে না। অবশ্য এর দ্বারা যেহেতু ইশারার কাজ হয়ে যায় ফলে তার সিজদা আদায় হয়ে যাবে। চেয়ারে বসে সামনে তখতা বা টেবিল ইত্যাদির উপর কপাল রাখাকে দুই কারণে সিজদা বলা সহীহ নয়। ১. সিজদার জন্য শর্ত হল, উভয় হাঁটু জমিনের উপর রাখা। ২. সিজদার সময় কপালের অংশ কোমরের অংশ থেকে নীচু থাকা দরকার। চেয়ারে বসে সামনের কোন কিছুর উপর কপাল রাখলে উল্লিখিত উভয় শর্ত পাওয়া যায় না। সুতরাং সেটাকে হাকীকী সিজদা (নিয়মতান্ত্রিক সিজদা) বলা ঠিক নয়। আর আপনি মাকতাবা দারুল উলূম করাচী থেকে প্রকাশিত রিসালার বরাতে যে কথা লিখেছেন, তা যদিও দারুল উলূম করাচীরই কিছু ফতওয়ায় উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্প্রতি এই মাসআলার বিষয়ে উসতাযে মুহতারাম হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুমের এক সদ্য লিখিত ফতওয়া আমাদের হস্তগত হয়েছে। যাতে দারুল উলূম করাচী-এর দারুল ইফতার অন্যান্য হাযারাতের দস্তখতও রয়েছে। তাতে হযরত দামাত বারাকাতুহুম আগের ফতওয়া থেকে ‘রুজুর’ (প্রত্যাহারের) ঐ লেখায় হযরত ‘‘ফাতওয়া শামী’’র ঐ ‘ইবারাতের’ (বক্তব্য) উপর বিষদ আলোচনা করেছেন যার ভিত্তিতে দারুল উলূমের আগের ফতওয়া দেয়া হয়েছিল। এবং তিনি এটা প্রমাণ করেছেন যে, ঐ ইবারাতের ভিত্তিতে এই মাসআলার দলীল দেয়া সিদ্ধ নয়। তিনি স্পষ্ট লিখেছেন : “لہذا كرسى پر بيٹهكر سامنے كسى چيز پر سجدہ كرنے كو “سجدۂ حقيقيہ” (باقاعدہ سجدہ) كہنا درست نہين” ‘‘… তাই চেয়ারে বসে সামনে কোন কিছুর উপর সিজদা করাকে ‘হাকীকী সিজদা’ (নিয়মতান্ত্রিক সিজদা) বলা ঠিক নয়।’’ তিনি আরও লিখেছেন, كرسى پر بيٹهنے كى صورت پر علامہ …

আরও পড়ুন

নামাযের রুকুনসমূহ আদায়ের সময় কোন দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকবে?

প্রশ্ন From: মোঃ আরিফ বিষয়ঃ নামাজ আসসালামুআলাইকুম। আমাকে একজন লা মাজহাবি ভাই প্রশ্ন করে নামাজে দাঁড়ান,বসা, সেজদা এবং রুকু অবস্থায় কোন দিতে দৃষ্টি থাকবে। দলিল সহ জানালে উপকৃত হব। উত্তর وعليكم السلام ورحمة الله وبراكته بسم الله الرحمن الرحيم সে কেন প্রশ্ন করে? আপনি তাকে কেন প্রশ্ন করেন না? তাকে …

আরও পড়ুন

মুক্তাদীর জন্য কি ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পড়তে হবে?

প্রশ্ন From: তামিম বিষয়ঃ জামাতে সুরা ফাতিহা পড়া প্রশ্নঃ ফরয নাময যখন জামাতে আদায় করি তখন কি ইমাম সাহেবের পিছনে আমাকে সুরা ফাতেহা পরতে হবে ? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم ইমামের ইক্তিদা অবস্থায় পিছনে কুরআনের কোন অংশই পড়তে হয় না। ইমাম যা পড়েন, সেটাই ইমামের পড়া হিসেবে সাব্যস্ত হয়ে …

আরও পড়ুন
আহলে হক্ব বাংলা মিডিয়া সার্ভিস