প্রচ্ছদ / আহলে হাদীস / হানাফী মাযহাব পূর্ণ হলে আবার শাফেয়ী মাযহাব হল কেন?

হানাফী মাযহাব পূর্ণ হলে আবার শাফেয়ী মাযহাব হল কেন?

প্রশ্ন

From: মোঃ ওসমান গনি
বিষয়ঃ মাযহাব

প্রশ্নঃ
মোঃ ওসমান গনি
চাকুরীজীবি, রংপুর৤

ঈমাম আবু হানিফা (রহঃ) জন্ম ৮০ হিজরী – মৃতু্য ১৫০ হিজরী৤
ঈমাম মালেক (রহঃ) জন্ম ৯৩ হিজরী – মৃতু্য ১৭৯ হিজরী৤
ঈমাম শাফী (রহঃ) জন্ম ১৫০ হিজরী – মৃতু্য ২০৪ হিজরী৤
ঈমাম আহামদ বিন ইবনে হাম্বল (রহঃ) জন্ম ১৬৪ হিজরী – মৃতু্য ২৪১ হিজরী৤

বিঃ দ্রঃ আমার জানামতে মাযহাব প্রতিষ্ঠিত হয় ৪০০ হিজরীর পর থেকে

চার মাযহাব বিশুদ্ধতায় পূর্ণাঙ্গ পরিপূর্ণ এবং যে কোন একটি মাযহাব মানা যদি বাধ্যতামূলক হয় ?

তাহলে আমার প্রশ্ন :
(ঈমাম আবু হানিফা (রহঃ) জন্ম ৮০ হিজরী – মৃতু্য ১৫০ হিজরী আর ঈমাম শাফি (রহঃ) জন্মই ১৫০ হিজরীতে৤  যদি ঈমাম আবু হানিফা (রহঃ) মাযহাব পরিপূণ‍র্ হয় তাহলে শাফী মাযহাব – এর সৃষ্টি হল কেন ?
আবার: ঈমাম আবু হানিফা (রহঃ) মাযহাব যদি পূর্ণাঙ্গ পরিপূর্ণ হয় তাহলে বাকী ৩ (তিন) ঈমাম কেন হানাফি মাযহাব অনুসরণ না করে নতুন করে মাযহাব সৃষ্টি করল৤
দয়া করে আমার প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ ব্যখ্যা সহ কোরআন হাদিসের আলোকে উত্তর দিবেন বলে আমি আশাবাদী।

উত্তর

بسم الله الرحمن الرحيم

আপনার মনে উদয় হওয়া প্রশ্নের মূল কারণ হল, মাযহাব ও তাকলীদের হাকীকত বুঝতে না পারা। আপনি যদি মাযহাব ও তাকলীদের মৌলিক বিষয়টা বুঝতে সক্ষম হতেন, তাহলে আপনার মনে উক্ত প্রশ্নের উদয় হতো না। বা উদয় হলেও নিজেই এর সমাধান বুঝতে পারতেন।

মাযহাব ও তাকলীদের হাকীকত বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ বুঝতে হলে, আমাদের প্রকাশিত ‘তাকলীদের হাকীকত’ নামক প্রবন্ধটি ভালো করলে পড়লে আপনার কাছে এ বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে আশা করি।

মাযহাব ও তাকলীদের প্রসঙ্গ আসে কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত কতিপয় মাসআলা এবং সরাসরি বর্ণিত হয়নি এমন মাসআলার ক্ষেত্রে। যাকে আমরা ইজতিহাদী মাসআলা বলে থাকি।

সহজ কথায় ইজতিহাদী মাসআলায় মাযহাব ও তাকলীদের প্রয়োজন হয়।

ইজতিহাদী মাসআলার ক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম হল, মুজতাহিদের যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি এ বিষয়ে ইজতিহাদ করে আমল করবেন। আর তাকে অনুসরণকারীগণ তার তাকলীদে উক্ত মাসআলার উপর আমল করবেন।

ইজতিহাদী মাসআলায় মুজতাহিদের জন্য অন্য কারো ইজতিহাদের উপর অন্ধ বিশ্বাসে তাকলীদ করা বৈধ নয়। বরং নিজের ইজতিহাদী যোগ্যতা অনুপাতে সঠিক মাসআলা অনুসন্ধান করে তার গবেষণায় রাজেহ তথা প্রাধান্য পাওয়া বক্তব্যের উপর আমল করা জরুরী। আরেক মুজতাহিদের রায়ের উপর যথেষ্ঠ মনে করে নিজের ইজতিহাদ বর্জন করা তার জন্য জায়েজ নয়।

যেমন আমীন জোরে ও আস্তে বলার মাসআলাটি ইজতিহাদী মাসআলা। কারণ, আস্তে ও জোরে উভয় পদ্ধতি হাদীসে বর্ণিত আছে। কিন্তু আমলই সুষ্পষ্টভাবে আখেরী আমল বা নবীজীর শেষ আমল হিসেবে হাদীসে বর্ণিত হয়নি।

ফলে উম্মত জোরে বলবে নাকি আস্তে বলবে এটি ইজতিহাদী বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।

এক্ষেত্রে মুজতাহিদকে ইজতিহাদ করতে কুরআন ও হাদীসে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আর গায়রে মুজতাহিদকে মুজতাহিদের অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

মুজতাহিদ ইমাম আবূ হানীফা রহঃ ইজতিহাদ করে ফায়সালা দিয়েছেন যে, আস্তে বলা সুন্নাত। আর জোরে বলা মারজূহ তথা অপ্রাধাণ্য পাওয়া বক্তব্য। সুতরাং তার ইজিতিহাদ অনুপাতে আস্তে বলাটা প্রমাণিত।

আর গায়রে মুজতাহিদ ব্যক্তিরা তার অনুসরণ করে আস্তে আমীন বলে  থাকেন।কোন গায়রে মুজতাহিদ ব্যক্তির জন্য নিজের রায় অনুপাতে এর ব্যত্যয় করার অধিকার কুরআন ও হাদীস দেয়নি। এ অধিকার শুধু মুজতাহিদের জন্য সংরক্ষিত।

পরবর্তীতে ইমাম শাফেয়ী, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল ও ইমাম মালেক রহঃ গণও ইজতিহাদী যোগ্যতার অধিকারী হয়েছেন। সুতরাং তাদের জন্য শুধুমাত্র ইমাম আবী হানীফা রহঃ এর তাহকীক ও ইজতিহাদ অনুযায়ী আমল করা জায়েজ হবে না।

বরং নিজের ইজতিহাদী যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ইজতিহাদ করা জরুরী।

সেই হিসেবে তাদের কেউ কেউ ইজতিহাদ করে আমীন জোরে বলাকে সুন্নাহ হিসেবে ইজতিহাদী রায় প্রদান করেছেন।

উভয়েই হাদীসকে মানদণ্ড বানিয়ে, হাদীসের আলোকে স্বীয় ইজতিহাদী সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। কেউ হাদীস বিরোধী বক্তব্য প্রদান করেননি।

এ কারণেই রায়ের ভিন্নতা মুজতাহিদগণের মাঝে বিদ্যমান। যা শরীয়তের কাম্য বিষয়।

সুতরাং ইজতিহাদী মাসআলায় ইমাম আবূ হানীফা রহঃ এর ইজতিহাদকৃত মাসআলাগুলো পরিপূর্ণভাবে বর্ণিত হবার পরও পরবর্তী মুজতাহিদগণ নতুন ইজতিহাদে এর বিরোধীতা করার সুযোগ তৈরী হয়েছে। কারণ, এটা তারা না করলে তারা কুরআন ও হাদীসের আদেশকে লঙ্ঘণ করতেন।

তাই পরবর্তী মুজতাহিদের পূর্ববর্তী মুজতাহিদের ইজতিহাদী মাসআলার উল্টো মাসআলায় ইজতিহাদী সিদ্ধান্ত দেবার অর্থ এই নয় যে, পূর্ববর্তী মুজতাহিদের মাসআলা গলদ বা অপূর্ণাঙ্গ। এমনটি মনে করা ইজতিহাদ ও মুজতাহিদের হাকীকত সম্পর্কে অজ্ঞতা হেতু কিছু নয়।

প্রমাণ

وَإِذَا جَاءَهُمْ أَمْرٌ مِّنَ الْأَمْنِ أَوِ الْخَوْفِ أَذَاعُوا بِهِ ۖ وَلَوْ رَدُّوهُ إِلَى الرَّسُولِ وَإِلَىٰ أُولِي الْأَمْرِ مِنْهُمْ لَعَلِمَهُ الَّذِينَ يَسْتَنبِطُونَهُ مِنْهُمْ ۗ وَلَوْلَا فَضْلُ اللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُ لَاتَّبَعْتُمُ الشَّيْطَانَ إِلَّا قَلِيلًا [٤:٨٣]

আর যখন তাদের কছে পৌঁছে কোন সংবাদ শান্তি-সংক্রান্ত কিংবা ভয়ের, তখন তারা সেগুলোকে রটিয়ে দেয়। আর যদি সেগুলো পৌঁছে দিত রসূল পর্যন্ত কিংবা তাদের মাঝে যারা উলুলু আমরা তথা এ বিষয়ে গভীর জ্ঞানের অধিকারীর কাছে, তখন অনুসন্ধান করে দেখা যেত সেসব বিষয়, যা তাতে রয়েছে অনুসন্ধান করার মত। বস্তুতঃ আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা যদি তোমাদের উপর বিদ্যমান না থাকত তবে তোমাদের অল্প কতিপয় লোক ব্যতীত সবাই শয়তানের অনুসরণ করতে শুরু করত!  [সূরা নিসা-৮৩]

وَأُولِي الْأَمْرِ مِنكُمْ ۖ [٤:٥٩

এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলুল আমর তথা মুজতাহিদ তাদের আনুগত্ব কর। [সূরা নিসা-৫৯]

فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ [٥٩:٢]

অতএব, হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ, তোমরা কিয়াস কর।  [সূরা হাশর-২]


القسم الثاني فقهاء الإسلام ومن دارت الفتيا على أقوالهم بين الأنام الذين خصوا باستنباط الأحكام وعنوا بضبط قواعد الحلال والحرام فهم في الأرض بمنزلة النجوم في السماء بهم يهتدي الحيران في الظلماء وحاجة الناس إليهم أعظم من حاجتهم إلى الطعام والشراب وطاعتهم أفرض عليهم من طاعة الأمهات والآباء بنص الكتاب قال تعالى يا أيها الذين آمنوا أطيعوا الله وأطيعوا الرسول وأولي الأمر منكم فإن تنازعتم في شيء فردوه إلى الله والرسول إن كنتم تؤمنون بالله واليوم الآخر ذلك خير وأحسن تأويلا قال عبد الله بن عباس في إحدى الروايتين عنه وجابر بن عبد الله والحسن البصري وأبو العالية وعطاء بن أبي رباح والضحاك ومجاهد في إحدى الروايتين عنه أولو الأمر هم العلماء وهو إحدى الروايتين عن الإمام أحمد وقال أبو هريرة وابن عباس في الرواية الأخرى وزيد بن أسلم والسدي ومقاتل هم الأمراء وهو الرواية الثانية عن أحمد. والتحقيق أن الأمراء إنما يطاعون إذ أمروا بمقتضى العلم فطاعتهم تبع لطاعة العلماء (اعلام الموقعين لابن القيم، فضل فقهاء الإسلام ومنزلتهم-1\8)

অর্থাৎ দ্বিতীয় ভাগ হলেন ইসলামের ফকীহবৃন্দ। ঘুরে ফিরে যাদের মতানুসারেই ফতোয়া দেওয়া হয়। যাদেরকে বিধিবিধান আহরণ ও নির্গতকরণের কাজে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করা হয়েছে। তারা হালাল-হারামের নীতিমালা প্রণয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। পৃথিবীতে তারা ঠিক আকাশের তারকারাজির মতোই ছিলেন। যা দেখে অন্ধকারে দিশাহীনরা সঠিক পথের দিশা পায়। মানুষ পানাহারের যতটা না মুখাপেক্ষী, তার চেয়ে ঢেড় বেশি তাদের মুখাপেক্ষী ছিলেন ও আছেন। তাদের আনুগত্য মাতা-পিতার আনুগত্যের চেয়েও বড় ফরজ। এর প্রমাণ কুরআনের স্পষ্ট বক্তব্য। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূল ও তোমাদের মধ্যকার উলুল আমর’এর আনুগত্য করা। যদি কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিবাদ হয়, তবে তা আল্লাহ ও রাসূলের সমীপে পেশ কর। যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস স্থাপন করে থাক। এটাই সর্বোত্তম ও পরিণামে সর্বাধিক সুন্দর। (নিসা : ৫৯)

এক বর্ণনামতে ইবনে আব্বাস রা., জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রা., হাসান বসরী, আবুল আলিয়া, আতা ইবনে আবূ রাবাহ, দাহহাক ও এক বর্ণনামতে মুজাহিদ বলেছেন, (উক্ত আয়াতে উল্লিখিত) ‘উলুল আমর’ হলেন আলেমগণ। ইমাম আহমাদের একটি মতও অনুরূপ। আবার আবু হুরায়রা রা., অপর বর্ণনায় ইবনে আব্বাস রা., যায়দ ইবনে আসলাম, সুদ্দী ও মুকাতিল বলেছেন, উলুল আমর তারা, যারা নেতৃত্ব-কতৃত্বের অধিকারী। আহমাদের অপর একটি মতও অনুরূপ। সত্য কথা হলো, নেত্বত্ব-কর্তৃত্বের অধিকারী ব্যক্তিদের কথাও কেবল তখনই মানা যাবে, যখন তারা ইলম ও দ্বীনী জ্ঞানের আলোকে আদেশ দেবেন। সুতরাং তাদের আনুগত্যও আলেমগণের আনুগত্যের অধীন। (ই’লামুল মুআক্কিনীন, ইবনুল কাইয়্যিমকৃত, ইসলামের ফকীহগণের ফযীলত ও মর্যাদা  ১/৮)

عَنْ الحَارِثِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ رِجَالٍ مِنْ أَصْحَابِ مُعَاذٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ مُعَاذًا إِلَى اليَمَنِ، فَقَالَ: «كَيْفَ تَقْضِي؟»، فَقَالَ: أَقْضِي بِمَا فِي كِتَابِ اللَّهِ، قَالَ: «فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي كِتَابِ اللَّهِ؟»، قَالَ: فَبِسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟»، قَالَ: أَجْتَهِدُ رَأْيِي، قَالَ: «الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي وَفَّقَ رَسُولَ رَسُولِ اللَّهِ»

মুআয (রাঃ)-এর সঙ্গীগণ হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুআয (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠান। তিনি প্রশ্ন করেনঃ তুমি কিভাবে বিচার করবে? তিনি বললেন, আমি আল্লাহ তা’আলার কিতাব অনুসারে বিচার করব। তিনি বললেনঃ যদি আল্লাহ তা’আলার কিতাবে পাওয়া না যায়? তিনি বললেন, তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত (হাদীস) অনুসারে বিচার করব। তিনি বললেনঃ যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতেও না পাও? তিনি বললেন, আমার জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে ইজতিহাদ করব। তিনি বললেন? সকল প্রশংসা সেই আল্লাহ্ তা’আলার জন্য যিনি আল্লাহর রাসূলের প্রতিনিধিকে এইরূপ যোগ্যতা দান করেছেন। [তিরমিজী, হাদীস নং-১৩২৭, আবূ দাউদ, হাদীস নং-৩৫৯২, সুনানে দারামী, হাদীস নং-১৭০, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২২০৬১]

اتفق العلماء على أن المجتهد إذا اجتهد وغلب على ظنه حكم، فلا يجوز له تقليد غيره، بل ما توصل إليه هو الحكم في حقه الاعتصام (2/ 502 – 503) المستصفى (2/ 384) التنقيحات (333) المحصول (6/ 83) روضة الناظر (2/ 376) الإحكام (4/ 204) مختصر المنتهى مع بيان المختصر (3/ 328، 330) شرح تنقيح الفصول (443) نهاية الوصول (8/ 3909) شرح مختصر الروضة (3/ 629) شرح العضد (2/ 300) نهاية السول (4/ 587) التمهيد للأسنوي (524) البحر المحيط (6/ 285) الإنصاف (11/ 179) التحرير مع التقرير والتحبير (3/ 330) شرح الكوكب المنير (4/ 515) فواتح الرحموت (2/ 392)

اتفق العلماء على أن المجتهد لا يجب عليه تقليد المجتهد، ولو كان أعلمَ منه (التبصرة (406) المحصول (6/ 88) نهاية الوصول (8/ 3916 – 3917) نهاية السول (4/ 591 – 592) فواتح الرحموت (2/ 394))

 

এ বিষয়ে আরো জানতে হলে পড়ুন-

১- https://ahlehaqmedia.com/3002-4/

২- https://ahlehaqmedia.com/102-2/

 

প্রশ্নকারীকে একটি প্রশ্ন

এক কিরাত পদ্ধতিতে কুরআন পড়লে পূর্ণাঙ্গ হলে সাত কিরাতে কুরআন নাজিল হল কেন?

এ প্রশ্নের যেটি হবে যথার্থ জবাব আপনার কৃত প্রশ্নের উত্তরটাও ঠিক সেটাই হবে।

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক ও প্রধান মুফতী-তা’লীমুল ইসলাম ইনস্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

ইমেইল– ahlehaqmedia2014@gmail.com

আরও জানুন

সেলুনে চুল কাটার পর গোসল ফরজ কি?

প্রশ্নঃ সেলুনে চুল কাটার পর গোসল ফরজ কি? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم চুল কাটার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *