প্রচ্ছদ / আধুনিক মাসায়েল / ফরেক্স ট্রেডিং (FOREX TRADING) কতটুকু শরীয়তসম্মত?

ফরেক্স ট্রেডিং (FOREX TRADING) কতটুকু শরীয়তসম্মত?

প্রশ্ন

মুফতী সাহেব। ইতোপূর্বে আপনাদের সাইটে ফরেক্স ট্রেডিং বিষয়ে একটি প্রশ্নোত্তর প্রকাশিত হয়েছে। তাতে একটি সূরতকে জায়েজ বলা হয়েছে।

আমার আবেদন হল, ফরেক্স ট্রেডিং বিষয়ে বিস্তারিত সমাধান জানালে কৃতার্থ হতাম।

উত্তর

بسم الله الرحمن الرحيم

ফরেইন এক্সচেঞ্জ ট্রেডিং বা ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কিত আমাদের আগের প্রকাশিত উত্তরটি একটি নির্দিষ্ট সূরতকে সামনে রেখে দেয়া হয়েছে। যা পুরো ফরেক্স ট্রেডিং এর উপর প্রয়োগ করা যাবে না।

এবার আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত হুকুম নিচে উদ্ধৃ করে দিচ্ছিঃ-

ফরেক্স ট্রেডিং এর মাঝে অনেক প্রকার লেনদেন করা হয়ে থাকে।

যেমন-

 Carry trade (ক্যারি ট্রেড)

এর সারমর্ম হল, কম দামে কারেন্সি ক্রয় করে দাম বাড়লে বেশি দামে বিক্রি করা।

এভাবে দুই কারেন্সির মাঝখানের লাভ ক্ষতিটাই ট্রেডারের লাভও ক্ষতি।

এ পদ্ধতিটা ব্যাংক ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের মতই। যারা কম সুদে ঋণ নেয় এবং বেশি সুদে ঋণ প্রদান করে। আর এ দুইয়ের মাঝের প্রার্থক্যটাই তাদের লাভ।

এ কারবারে শরীক তিন প্রকার হয়ে থাকে। যথা-

১) বিভিন্ন ব্যাংক। অধিকাংশই বড় লেনদেন ব্যাংক করে থাকে। কারেন্সির উত্থান ও পতনে ব্যাংকের কার্যক্রম সবচে’ বেশি হয়ে থাকে।

২) বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। যারা কারেন্সি বিজনেস করে লাভ করে থাকে।

৩) ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করে থাকে।

বিস্তারিতঃ-

https://en.wikipedia.org/wiki/Foreign_exchange_market

– http://www.forex.com/uk/forex-video-tutorials.html

– http://www.learntotradethemarket.com/forex-university/introduction-what-is-forex-trading

 

ফরেক্স কমোডিটি ট্রেডিং  (FOREX COMMODITY TRADING):

ইন্টারনেট বিজনেসের এ প্লাটফর্মে যে শুধু কারেন্সি এক্সচেঞ্জ বিজনেস করা হয় বিষয়টি তা নয়। বরং নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই ট্রেড করা হয়ে থাকে। যেমন তেল, কাপড়, লোহা, চাল, ডাল ইত্যাদি। এসব জিনিসও উক্ত প্লাটফর্মে ক্রয় বিক্রয় করা হয়ে থাকে।

তবে ক্রয় বিক্রয়ের মূলনীতি প্রায় কারেন্সি এক্সচেঞ্জ এর মতই।

এখানে স্বল্প ক্যাপিটাল তথা পূঁজি বিনিয়োগ করে ব্রোকারের মাধ্যমে লেভারেজ তথা এক প্রকার ঋণ নিয়ে অনেক দামের বস্তুও ক্রয় করা যায়।

যেমন দশ হাজার টাকার ইনভেষ্ট করে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা ব্রোকারের কাছ থেকে লেভারেজ তথা ব্রোকারের কাছ থেকে ঋণের ভিত্তিতে এক লাখ টাকার তেল বা গমও ক্রয় করতে পারেন।

ক্রয় বিক্রয়ের সময় শুধু দশ হাজার টাকাই পরিশোধ করা হয়।

এসব কারবারে স্পট ট্রেড (Spot trade ) এবং ফিউচার ট্রেড (Future Trade) এসবই হয়ে থাকে। [www.dalianexchange.com]

পণ্য ক্রয় করার পর যদি পণ্যটির মূল্য বাড়তে থাকে, তাহলে ট্রেডারের লাভ হয়।  তখন অনেক সময় নির্ধারিত সময় আসার আগে উক্ত পণ্যটি সে আবার বিক্রি করে দেয়।

আর যদি ক্রয় করা পণ্যটির মূল্য কমতে থাকে, তাহলে ট্রেডারের লস হয়। যদি লস জমাকৃত অর্থকে অতিক্রম করে ফেলে তখন ব্রোকার/ডিলার ট্রেডারকে বলে আরো টাকা জমা কর। নতুবা চুক্তিটি ক্যান্সেল হয়ে যাবে।

যদি ট্রেডার অতিরিক্ত টাকা জমা না করে, তাহলে কারবারটি ক্যান্সেল করে দেয়া হয়।

তাহলে কী বুঝা গেল, স্ক্রীনে ট্রেডারের সাথে ক্রয় করার দ্বারা যে মালিকানা দেখানো হয়ে থাকে, এ পদ্ধতিটি এর সম্পূর্ণ খেলাফ। কারণ, সত্যিকার মালিকানা ট্রেডারের হলে, তার হস্তক্ষেপ ছাড়া কিভাবে সেটি ক্যান্সেল করা সম্ভব?

সুতরাং বুঝা গেল যে, ট্রেডারের মালিকানা শুধুমাত্র তার জমাকৃত অর্থের উপরই সীমাবদ্ধ থাকে। বাকি যে অর্থ দেখানো হয়ে থাকে, সেটি সুধুমাত্র একটি আইওয়াশ ছাড়া কিছু নয়।

এই হল, মোটামুটি ফরেক্স ট্রেডিং এর বাস্তব রূপ। এছাড়া আরো অনেক সূরত রয়েছে।

শরয়ী বিধান

ক্রয় বিক্রয় পূর্ণতা পাবার জন্য পণ্যটি হস্তগত হওয়া তথা কবজ হওয়া  শর্ত। যা উপরোক্ত লেনদেনের মাঝে পাওয়া যায় না।

উভয় পক্ষ বা এক পক্ষের কবজ তথা হস্তগত হওয়ার শর্তটি পূর্ণতা পায় না।

মোটকথা, ফরেক্স ট্রেডিং এর মাঝে কারেন্সি এক্সচেঞ্জ লেনদেনে কবজ তথা হস্তগত করার শর্ত না পাওয়ার কারণে উক্ত লেনদেন নাজায়েজ ও হারাম হয়ে যায়।

 

عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ الرَّجُلُ يَسْأَلُنِي الْبَيْعَ وَلَيْسَ عِنْدِي، أَفَأَبِيعُهُ؟ قَالَ: «لَا تَبِعْ مَا لَيْسَ عِنْدَكَ»

হাকীম ইবনে হিযাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এক ব্যক্তি আমার নিকট থেকে এমন কিছু কিনতে চায়, যা আমার নিকট বিদ্যমান নাই। আমি কি তার সাথে বিক্রয় চুক্তিতে আবদ্ধ হতে পারি? তিনি বলেনঃ তোমার নিকট যা বিদ্যমান নেই, তা তুমি বিক্রয় করো না। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২১৮৭, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩৫০৩, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১২৩২]

عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ قَالَ: نَهَانِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَبِيعَ مَا لَيْسَ عِنْدِي

হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার হাতে নেই এমনসব বস্তু বিক্রয় করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন। [সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১২৩৩]

قَالَ حَكِيمُ بْنُ حِزَامٍ: ابْتَعْتُ طَعَامًا مِنْ طَعَامِ الصَّدَقَةِ، فَرَبِحْتُ فِيهِ قَبْلَ أَنْ أَقْبِضَهُ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ: «لَا تَبِعْهُ حَتَّى تَقْبِضَهُ»

হাকীম ইবন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাদকার খাদ্য ক্রয় করলাম এবং তা আপন অধিকারে আনার পূর্বেই তা দ্বারা মুনাফা করলাম। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তা নিজের অধিকারে না এনে বিক্রি করবে না। [সুনানে নাসায়ী, হাদীস নং-৪৩০৩]

ফিক্বহে ইসলামীর গ্রহণীয় উসূল হল, ফাসিদ শর্তের কারণে ক্রয়বিক্রয় ফাসিদ হয়ে যায়। ফরেক্স ট্রেডিং এর মাঝে ফাসিদ শর্তও লাগানো হয়ে থাকে। যেমন স্যোয়াপ (swaps) তথা ইকালা এর শর্তে বাই। মানে বাই বাতিল করার সুযোগের শর্তে ক্রয়বিক্রয় করা।

এর অর্থ হল, একটি নির্ধারিত সময়ের পর ক্রয়বিক্রয়টি বাতিল হয়ে যায়। অথচ ক্রয়বিক্রয় শুদ্ধ হবার জন্য শর্ত হল, ক্রয় বিক্রয় হবার দ্বারা উভয় পক্ষের এখতিয়ার শেষ হয়ে যায়। ইচ্ছে করলেই তা আর বাতিল করতে পারে না।

অথচ ফরেক্স ট্রেডিং এর মাঝে এ শর্ত পাওয়া যায় না।

সুতরাং এ ক্রয়বিক্রয় শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে জায়েজ হয় না।

كل شرط لا يقتضيه العقد، وفيه منفعة لأحد العاقدين أو للمعقود عليه وهو من أهل الاستحقاق يفسده (هداية، كتاب البيوع، باب البيع الفاسد-3/59)

عن عمر بن شعيب عن أبيه عن جده أن النبى صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع وشرط (مجمع الزوائد-4/85، نصب الراية-4/43، المعجم الأوسط-3/211، رقم-4361)

عن عمرو بن عوف المزنى عن أبيه عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:……. والمسلمون على شروطهم، إلا شرطا حرم حلالا وأحل حراما (سنن الترمذى-1/251، رقم-1352)

এছাড়া Options এর মাঝে ট্রেডারকে এ হক দেয়া যে, সে অপর পক্ষের অনুমতি ও সন্তুষ্টি ছাড়াই ইকালা তথা ক্রয়বিক্রয় বাতিল করতে পারবে। এটা ক্রয়বিক্রয়ের মাঝে শর্তে ফাসিদ।

কেননা ক্রয়বিক্রয়ের মাঝে ইক্বালা করতে হলে উভয় পক্ষের সন্তুষ্টি জরুরী।

শরয়ী এ শর্তও উক্ত লেনদেনে লঙ্ঘিত হয়।

لأن أحد المتعاقدين لا ينفرد بالفسخ كما لا ينفرد بالعقد (هداية، كتاب القضاء، باب التحكيم، مسائل شتى-3/147)

وإذا حصل الإيجاب والقبول لزم البيع، ولا خيار لواحد منهما إلا من عيب أو عدم رؤية (هداية، كتاب البيوع-3/20، الجوهرة النيرة-1/220، تاتارخانية-8/222، رقم-1171)

ফিউচার সেল ইসলামী শরীয়তে বৈধ নয়।

وأما حكمها (عقود المستقبليات فى السلع) الشرعى، فكل من له إلمام بقواعد الشريعة ومصالحها، لا يشك بعد النظر فى تفاصيل هذه العملية أنها عملية محرمة شرعا وصادمة لعدة أحكام الشرعية الغراء (بحوث فى قضايا فقهية معاصرة-1/130)

এ প্রকার লেনদেনের মাঝে ‘বা’ই ক্বাবলাল কাবজ’ তথা হস্তগত করার আগেই ক্রয়বিক্রয় করাও শামিল।

কারণ, অধিকাংশ ট্রেডারই এ মার্কেটে ক্রয়বিক্রয় শুধুমাত্র কারেন্সি রেটের দর ও পতনের মাধ্যমে লাভ করার মানসেই করে থাকে। কারেন্সি অর্জন করা তাদের উদ্দেশ্য হয় না।

তাই কারেন্সি হস্তগত করা ছাড়াই আবার তা বিক্রি করে দেয়। যা জায়েজ নয়।

কারেন্সি ছাড়া অন্য পণ্যের ক্রয়বিক্রয়গুলো যদিও ‘বা’ইয়ে ছরফ” নয়। এ কারণে সেগুলোতে নগদে ক্রয়বিক্রয় শর্ত নয়।

কিন্তু সেসবের মাঝেও ‘বা’ই ক্বাবলাল কাবজ’ তথা হস্তগত হবার আগে ক্রয় বিক্রয় এবং ‘বা’ই মুজাফ ইলাল মুস্তাকবিল’ তথা ফিউচার সেল, অর্থাৎ ভবিষ্যতের দিকে সম্বোধিত ক্রয় বিক্রয়ের মত নাজায়েজ বিষয়গুলো শামিল। এছাড়া অন্যান্য ফাসিদ শর্তও তাতে বিদ্যমান।

এছাড়া এর মাঝে এ খারাবীও রয়েছে যে, ব্রোকার ক্রয়বিক্রয়ের সুযোগ দেবার মাধ্যমে লাভ হলে লভ্যাংশ নেয়। কিন্তু যখন লস হতে থাকে, তখন  এ  চুক্তিটিকে বাতিল করার ক্ষমতাও রাখে।

অথচ শরীয়তে ব্রোকার তার কাজের পারিশ্রমিক নেবার পর লেনদেনের মাঝে তার কোন এখতিয়ার থাকে না।

সুতরাং তারা কোন কিছু ক্রয় বিক্রয় করে লাভ বা লোকসান করলে এটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হবে। এর সাথে ব্রোকারের কোন সম্পর্ক নেই। লোকসান দেখে ব্রোকারের জন্য উক্ত লেনদেন বাতিল করে দেবার কোন ক্ষমতা থাকে না।  যতক্ষণ না উভয় পক্ষ তাতে রাজি না হয়।

অথচ ফরেক্স ট্রেডিং এর মাঝের ব্রোকার সেই ক্ষমতা রাখে।

সুতরাং বুঝা গেল যে, ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে প্রচলিত ফরেক্স ট্রেডিং এ বিজনেস করা, ইনভেষ্ট করা, লেনদেন করা শরীয়ত সম্মত নয়।


ولا ينعقد بيع الدين من غير من عليه الدين؛ لأن الدين إما أن يكون عبارة عن مال حكمي في الذمة، وإما أن يكون  عبارة عن فعل تمليك المال وتسليمه، وكل ذلك غير مقدور التسليم في حق البائع، ولو شرط التسليم على المديون لا يصح أيضا؛ لأنه شرط التسليم على غير البائع فيكون شرطا فاسدا فيفسد البيع.
(بدائع الصنائع، كتاب البيوع، فصل في الشرط الذي يرجع إلى المعقود عليه: ٥/ ١٤٨؛ العلمية)

ومن بيوع الغرر أن يبيع دائن دينه من غير مديونه. فإن كان إلى المديون نفسه، فهو جائز بثمن حال في غير السلم والربويات.
(فقه البيوع، 
المبحث الثالث في أحكام البيع والثمن: ١/ ٣٤١؛ مكتبة معارف القرآن

وقد شاع في عصرنا التجارة في العملات عن طريق “سوق العملات الخارجية”   والذي يخفف فيقال: “فوريكس

:وإن هذه السوق لها طرق مختلفة للتجارة، وإن معظمها تشتمل على محظورات شرعية نذكر بعضها فيما يلى

1

 الأصل فى العملات والنقود أنها وسيلة لتقويم الأشياء، وليست مقصودة بنفسها، وإن الشرعية الإسلامية لا تستحسن أن تكون هي محل1 التجارة بنفسها، إلا لحاجة حقيقة لتبادل بعض العملات ببعض، ولذلك فرضت على بيع النقود شروطا وقيودا فصلناها أعلاء فى مباحث الصرف، ولكن هذه السوق جعلت العملات محل التجارة بنفسها بما احدث فسادا كبيرا فى النظام المالى المعاصر، …….

٢

شرحنا فيما قبل أن العملات الورقية عند كثير من العلماء المعاصرين والمجامع الفقهية في حكم الذهب والفضة، فيشترط في مبادلتها التقابض في المجلس. وإن هذ الشرط مفقود في معظم عمليات هذه السوق، فإنها تنقسم إلى عاجل وآجل. وإن التقابض مفقود فيهما، لأن ما يسمى “البيع العاجل” ((Spot sale لا يقع فيه التقابض إلا بعد يومين من يوم العقد. وأما على الموقف الثالث الذي شرحناه ورجحناه، فإنه يجب في تبادل العملات المختلفة الجنس أن يقع القبض على إحدى العملتين في مجلس العقد. وهذا الشرط مفقود أيضا في هذه السوق. فإنما يقع البيع والشراء عموما عن طريق الكمبيوتر أو الإنترنيت

٣

وكثيرا ما يبيع الإنسان ما لا يملكه، ولا يقع التسليم والتسلم في كثير من عمليات السوق، وإنما يصفى الباعة والمشترون عملياتهم بفروق الأسعار،

4

 وقد تعطى بورصة العملات فرصة للإنسان أن يودع فيها مبلغا اقل، ويتجر بملغ أكثر، وتقدم البورصة ضمانا للمبلغ الباقى بعمولة تطالبها من المتعامل بلأكثر، ويسمى “البيع الهامش” (Sale on Margin) وهذا فى الحقيقة قرض يتقاضى عليه فوائد ربيوة،

5

 ما يشتريه الإنسان عن طريق هذه السوق عملات غير متعينة، لأن التعيين فى العملات إنما يتحقق بالقبض، وهو مفقود فى معظم العمليات

ومن هذه الجهات، فإنه لا يجوز التعامل شرعا عن طريق سوق الفوريكس (فقه البيوع، المبحث السابع، رقم البحث-337، تجارة العملات عن طريق الفوريس-2/763-765)

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তা’লীমুল ইসলাম ইনস্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

ইমেইল– ahlehaqmedia2014@gmail.com

আরও জানুন

কোর্টে সরকারী চাকুরীরত ব্যক্তির জন্য চাওয়া ছাড়া ক্লায়েন্ট থেকে টাকা নেয়ার হুকুম কী?

প্রশ্ন From: মো: আবূ মুছা বিষয়ঃ ঘুষ প্রশ্নঃ আসসালামু আলাইকুম। হুজুর কেমন আছেন? আমি সরকারী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আহলে হক্ব বাংলা মিডিয়া সার্ভিস