প্রচ্ছদ / আকিদা-বিশ্বাস / অপবাদের কবলে ফাযায়েলে আমাল [পর্ব ৩] আবু ইয়াযিদ কুরতুবী রঃ এর ঘটনা ও ইলমে গায়েব!

অপবাদের কবলে ফাযায়েলে আমাল [পর্ব ৩] আবু ইয়াযিদ কুরতুবী রঃ এর ঘটনা ও ইলমে গায়েব!

প্রশ্ন

লা-মাযহাবী ভাইদের অভিযোগ হল, ফাযায়েলে আমালের ফাযায়েলে জিকির অধ্যায়ে আবু ইয়াযিদ কুরতুবী রহঃ এর একটি ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যাতে সত্তর হাজারবারের কালিমা পড়ার একটি বর্ণনা দ্বারা বুঝা যায় যে, উলামায়ে দেওবন্দের আকিদা হল, তাদের বুযুর্গরা ইলমে গায়েব জানেন।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই।

উত্তর

بسم الله الرحمن الرحيم

প্রথমে আমরা উক্ত ঘটনাটি দেখে নেইঃ

শায়েখ আবু ইয়াজিদ কুরতুবী রহঃ বলেন, আমি শুনিয়াছি যে ব্যক্তি সত্তর হাজার বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ে সে দোযখের আগুন হইতে নাজাত পাইয়া যায়। আমি এই খবর শুনিয়া এক নেছাব অর্থাৎ সত্তর হাজার বার আমার স্ত্রীর জন্য পড়িলাম এবং কয়েক নেছাব আমার নিজের জন্য পড়িয়া আখেরাতের সম্বল করিয়া রাখিলাম। আমাদের নিকট এক যুবক থাকিত। তাহার সম্বন্ধে প্রসিদ্ধ ছিল যে, তাহার কাশফ হয় এবং জান্নাত-জাহান্নামও সে দেখিতে পায়। ইহার সত্যতার ব্যাপারে আমার কিছুটা সন্দেহ ছিল। একবার সেই যুবক আমাদের সহিত খাওয়া-দাওয়ায় শরীক ছিল, এমতাবস্থায় হঠাৎ সে চিৎকার দিয়া উঠিল এবং তাহার শ্বাস বন্ধ হইয়া যাওয়ার উপক্রম হইল এবং সে বলিল, আমার মা দোযখে জ্বলিতেছে, আমি তাহার অবস্থা দেখিতে পাইয়াছি। কুরতুবী রহঃ বলেন, আমি তাহার অস্থির অবস্থা লক্ষ্য করিতেছিলাম। আমার খেয়াল হইল যে, একটি নেছাব তাহার মার জন্য বখশিয়া দেইদ। যাহা দ্বারা তাহার সত্যতার ব্যাপারেও আমার পরীক্ষা হইয়া যাইবে। সুতরাং আমার জন্য পড়া সত্তার হাজারের নেছাবসমূহ হইতে একটি নেছাব তাহার মার জন্য বখশিয়া দিলাম। আমি আমার অন্তরে গোপনেই বখশিয়াছিলাম এবং আমার এই পড়ার খবরও আল্লাহ ছাড়া আর কাহারও ছিল না। কিন্তু ঐ যুবক তৎক্ষণাৎ বলিতে লাগিল, চাচা! আমার মা দোযখের আগুন হইতে রক্ষা পাইয়া গিয়াছে। কুরতুবী রহঃ বলেন, এই ঘটনা হইতে আমার দুইটা ফায়দা হইল, একটি সত্তর হাজার বার কালেমা তাইয়্যিবাহ পড়ার বরকত সম্পর্কে যাহা আমি শুনিয়াছি উহার অভিজ্ঞতা আর দ্বিতীয়টি যুবকের সত্যতার একীন হইয়া গেল। [ফাযায়েলে আমাল উর্দু-৪৮৪, বাংলা ফাযায়েলে আমাল-৪৪১, ফাযায়েলে জিকির, দ্বিতীয় অধ্যায়-১৩৫, দারুল কিতাব প্রকাশনী]

উপরোক্ত ঘটনায় খেয়াল করুন। শায়েখ জাকারিয়া রহঃ পরিস্কার লিখে দিয়েছেন যে, উক্ত যুবক ছিল সাহেব কাশফ। তথা তার কাশফ হইতো। কাশফ আর ইলমে গায়েব সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।

কাশফ হল, যা আল্লাহ তাআলা কোন বান্দার সামনে নির্দিষ্ট কোন সময়, নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের অবস্থান প্রকাশ করে দেন। খুলে দেন। যার উপর কোন হাত সংশ্লিষ্ট বুযুর্গের নেই। পুরোটাই আল্লাহ প্রদত্ব করূনা ছাড়া আর কিছু নয়।

আর ইলমে গায়েব হল, নিজের যোগ্যতায় সর্বদা সর্বস্থানের সংবাদ জানা। যা আল্লাহ ছাড়া আর কারো নেই। অন্য কারো ক্ষেত্রে তা মনে করা সুষ্পষ্ট শিরকী।

কাশফ ও ইলমে গায়েবকে এক মনে করা দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞতা ছাড়া আর কিছু নয়।

কাশফ ও ইলমে গায়েব ভিন্ন হবার কিছু প্রকিষ্ট প্রমাণঃ

হযরত আনাস বিন মালিক রাঃ থেকে বর্ণিত। তার চাচা আনাস বিন নজর উহুদ যুদ্ধের সময় উহুদ প্রান্তরের দিকে রওয়ানা হলে, পথিমধ্যে সাদ বিন মুআজ রাঃ এর সাথে সাক্ষাৎ হয়, তখন তিনি বলেন,

يَا سَعْدُ بْنَ مُعَاذٍ، الجَنَّةَ وَرَبِّ النَّضْرِ إِنِّي أَجِدُ رِيحَهَا مِنْ دُونِ أُحُدٍ

হে সাদ বিন মুআজ! আমি অহুদের দিক থেকে জান্নাতের খুশবো পাচ্ছি। [বুখারী, হাদীস নং-২৮০৫]

আনাস বিন নজর রাঃ তখন জীবিত। আর জান্নাত হল আখেরাতের বিষয়। অথচ সেই জান্নাত যে খুশবোওয়ালা তা তিনি দুনিয়াতে থাকা অবস্থায়, মৃত্যুর আগেই পাচ্ছেন।

এটা কি? লা-মাযহাবী বন্ধুরা এটাকে কী বলবেন? ফাযায়েলে আমালের ঘটনার মতই ঘটনা। ফাযায়েলে আমালের ঘটনাটি ইলমে গায়েব হলে এটিওতো ইলমে গায়েব। সুতরাং ফাযায়েলে আমালের ঘটনাটি শিরক হলে বুখারীর উক্ত ঘটনাও একই দাঁড়ায়।

আমাদের কাছে জবাব আছে। আসলে এটি ইলমে গায়েব নয়। বরং এটি হল কাশফ। আল্লাহ তাআলা এ মুহুর্তের জন্য তার প্রিয় বান্দা আনাস বিন নজরের কাছে জান্নাতের খুশবো কাশফ তথা প্রকাশ করে দিয়েছেন। এটি ইলমে গায়েব নয় বরং কাশফ।

তাই এখানে শিরকের গন্ধ খোঁজা আহমকী ছাড়া আর কিছু নয়।

কিন্তু লা-মাযহাবী বন্ধুদের থিউরী অনুপাতে কিন্তু এ ঘটনা ইলমের গায়েবের দোষে দুষ্ট হয়ে শিরকের পর্যায়ভূক্ত হয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন হল, ফাযায়েলে আমালের ঘটনার উপর ইলমে গায়েবের অভিযোগ উত্থাপন করে শিরকের ফাতওয়া জারীকারী লা-মাযহাবীরা বন্ধুরা বুখারী শরীফে একই টাইপের ঘটনা আনার কারণে, বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক রাঃ ও বক্তব্য প্রদানকারী আনাস বিন নজর রাঃ এবং বইয়ে সংকলিতকারী ইমাম বুখারী রহঃ এর ক্ষেত্রে কি ফাতওয়া প্রদান করবেন?

وقال أَبُو بَكْرٍ المطوعي حَدَّثَنَا فوزان قَالَ: دخل السجن عَلَى أبي عَبْد اللَّهِ شاب بعد ضربه ومعه قارورة فيها ماء رائحته رائحة المسك وقد هاج عليه الضرب فِي اليوم الثالث وصعب قَالَ: فأتاه الشاب فقال: أقسمت عليك بالله إلا مكنتني من علاجك فتركه أَبُو عَبْدِ اللَّهِ فصب عليه ذلك الماء ومسحه فهدأ الضرب وسكن فلما رأي ذلك السجان تبع الشاب فقال: لو أعطيتني من هذا الماء فقال: إن ذلك لا يستقيم إنه من ماء الجنة أنزله لعقبة آدم بأرض الهند وأنا من سكان ذلك المكان من الجن ثم غاب عَنْ عينه فأقبل السجان مذعورًا.

ফাউযান বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবূ আব্দুল্লাহ [ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ] কে প্রহার করার পর তার জেলখানায় এক যুবক প্রবেশ করে। যার হাতে ছিল একটি বোতল। যাতে মিশকের মত সুগন্ধীযুক্ত পানি ছিল।

তৃতীয় দিন আঘাতকৃত স্থান ফুলে উঠে। প্রচন্ড ব্যাথা অনুভূত হতে থাকে। তখন উক্ত যুবক হযরতের কাছে আসেন। এসে বলেন, আল্লাহর কসম! আমাকে আপনার চিকিৎসা করতে অনুমতি প্রদান করুন। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ তাকে অনুমতি প্রদান করলেন। তখন যুবক উক্ত পানি  ক্ষতস্থানে ঢেলে ডলে দিল। ফলে ব্যথা দূর হয়ে গেল।

এ দৃশ্য যখন জেলার দেখল, তখন জেলার যুবকের কাছে এসে বলল, আমাকে যদি একটু পানি দিতে তাহলে ভাল হতো। জবাবে যুবক বলল, আমি একাজ করতে পারবো না, কারণ নিশ্চয় এটি জান্নাতী পানি। যা আদম আঃ এর পর জান্নাত থেকে হিন্দুস্তানে নাজিল হয়েছে। আর আমার সম্পর্ক সেই এলাকার জিনদের সাথে রয়েছে। একথা বলার পর উক্ত যুবক চোখের আড়াল হয়ে গেল। তখন জেলার সেখান থেকে ভীত হয়ে ফিরে গেল। [তাবাক্বাতুল হানাবেলা-১/১৯৫]

খেয়াল করুন!

উক্ত ঘটনায় আবুল হুসাইন বিন আবী ইয়ালা রহঃ তার সংকলিত “তাবক্বাতুল হানাবেলা” গ্রন্থে যে ঘটনাটি উদ্ধৃত করেছেন। তাতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ জিনকে দেখতে পেলেন। সেই জিন জান্নাতের পানি বহন করে নিয়ে এসেছে। সেই পানি দিয়ে চিকিৎসা করার ফলে আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ সুস্থ হয়ে গেলেন।

জান্নাতের পানিতো গায়েবের বিষয়। কারো কাছে জান্নাতের কোন কিছু প্রকাশ পাওয়া যাওয়া যদি গায়েবের সংবাদ জানা হয়, আর তা শিরক হয়, তাহলে উপরোক্ত ঘটনায় হযরত ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ এর হুকুম কী হবে?

সেই সাথে উপরোক্ত ঘটনা বর্ণনাকারী লেখকের হুকুম কী হবে?

শায়েখ জাকারিয়া রহঃ ইমাম কুরতুবী রহঃ এর বর্ণিত জান্নাতের হালাত প্রকাশ পাওয়া ঘটনা বর্ণনা করলে শিরক হয়ে যায়, তাহলে ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ একই ধরণের ঘটনা নকল করে কী করেছেন?

আমরা একটু জানতে চাই লা-মাযহাবী বন্ধুদের কাছে।

শায়েখ জাকারিয়া রহঃ উপরোক্ত ঘটনাটি নিজের পক্ষ থেকে নকল করেননি। বরং আল্লামা আব্দুল্লাহ বিন আস’আদ ইয়াফেয়ী রহঃ এর কিতাব “রউজুর রাইয়্যাহীন” থেকে নকল করেছেন।

দেখুন- রউজুর রাইয়্যাহীন-২৭৫-২৭৬]

স্ক্রীণ শর্ট

mew 1

তাহলে শায়েখ জাকারিয়া রহঃ ও ফাযায়েলে আমালের উপর শিরকের ফাতওয়া আরোপ করার আগে রউজুর রাইয়্যাহীন গ্রন্থ ও তার গ্রন্থকারের উপর আরোপিত হওয়া উচিত নয় কি?

গায়রে মুকাল্লিদদের ফযীলতুশ শায়েখ সৈয়দ সানাউল্লাহ গিলানী রহঃ এর পিতার দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্তি!

তার ব্যাপারে লেখা হয়েছেঃ

“শাহ সাহেব রহঃ মসজিদে এতেকাফ বসে গেলেন। দিন ও রাত অতিক্রান্ত করতে লাগলেন। যখন রমজান মাসের শেষ রাত চলে এলঃ এক রাত তারাবীহ নামায শেষে আমরা স্বীয় তাবুতে চললাম। সম্ভবত শেষ রাতের সময়কার ঘটনা এটি। আমি মুতাআল্লিকীন সবাইকে সারা রাত জেগে ইবাদত করতে উৎসাহিত করে স্বীয় তাবুতে ফিরে গিয়েছি। যখন রাত অর্ধেকের চেয়ে বেশি হয়ে গেল তখন অধিকাংশ ইতিকাফকারীরা স্বীয় তাবুতে ঘুমিয়ে গেল। তখন হঠাৎ করে লাইট চলে গেল। লাইট নেই, আমি আমার তাবুতে সজাগ ছিলাম। হঠাৎ মসজিদে একটি নূরের ঝলক দেখতে পেলাম। সাথে আওয়াজ বের হল, ‘বারাকাল্লাহ! শাহ জান্নাতী’। আমি এ আওয়াজ শুনে ফেললাম। হয়রান হয়ে গেলাম। তখনি মসজিদ থেকে বাইরে বের হলাম। দেখলাম বাইরে কেউ নেই। ” [উলামায়ে আহলে হাদীস কা জওকে তাসাওউফ-৫৭-৫৯]

স্ক্রীণ শর্ট

new 2

এখন আমাদের প্রশ্ন হল, লা-মাযহাবী শায়েখের দুনিয়াতে থাকা অবস্থায়ই জান্নাতের সুসংবাদ মিলে গেল, তো আপনারা এটাকে কী বলবেন? ইলমে গায়েব নাকি ইলহাম?

লা-মাযহাবী বন্ধুদের শাইখুল কুল নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান সাহেব তার বিখ্যাত গ্রন্থ “কিতাবুত তাবীজাত” এর ১২২ নং পৃষ্ঠায় সত্তর হাজার বার কালিমা পড়লে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা করা যায় মর্মে লিখেছেন।

দেখুন -কিতাবুত তাবীজাত-১২২, ভিন্ন ছাপা-১৭১]

স্ক্রীণ শর্ট

new 3

এখন প্রশ্ন হল, লা-মাযহাবী শায়েখ নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান সাহেবের ক্ষেত্রে কী ফাতওয়া প্রদান করবেন লা-মাযহাবী বন্ধুরা?

শেষ কথা

ইমাম কুরতুবী রহঃ এর যে ঘটনা শাইখুল হাদীস জাকারিয়া কান্ধলবী মুহাজিরে মাদানী রহঃ তার ঐতিহাসিক গ্রন্থ “ফাযায়েলে আমাল” এ এনেছেন, সেক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য হল, উপরোক্ত ঘটনাটি কাশফ সম্পৃক্ত ঘটনা। যা আল্লাহ তাআলা কোন ব্যক্তির মাধ্যমে তার ইচ্ছেমত প্রকাশ করে  থাকেন। যা ঘটানোর নিজস্ব কোন ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নেই। বরং পুরোটাই আল্লাহ তাআলার ক্ষমতাধীন। কোন ব্যক্তি নিজস্ব ক্ষমতা বলে এমনটি করতে পারে বিশ্বাস করা শিরক। কিন্তু আল্লাহ তাআলা এমনটি প্রকাশ করে দেন মনে করা কিছুতেই শিরক নয়।

ফাযায়েলে আমালে বর্ণিত ঘটনাটির মত আরো বেশ কিছু ঘটনা আমরা উপরে উদ্ধৃত করেছি। যা প্রমাণ করে, ফাযায়েলে আমালের ঘটনা ইলমে গায়েব হলে এগুলোও ইলমে গায়েব হয়। ফাযায়েলে আমালে ঘটনা উদ্ধৃত করা দ্বারা শিরক হয়ে থাকলে উপরোক্ত ঘটনা ও অবস্থা বর্ণনাকারীগণও শিরককারী সাব্যস্ত হন।

এবার আমাদের প্রশ্ন হল, ফাযায়েলে আমালের উপর অভিযোগকারীগণ কী উপরোক্ত গ্রন্থ ও গ্রন্থকারের বিষয়ে একই ফাতওয়া প্রদান করে থাকেন? দয়া করে জানাবেন আশা করি।

আল্লাহ তাআলা লা-মাযহাবী শায়েখদের মিথ্যাচার ও ভুল ব্যাখ্যা থেকে উম্মতে মুসলিমাকে হিফাযত করুন।

অপবাদের কবলে ফাযায়েলে আমাল [পর্ব-১] [স্বপ্নে নবীজী সাঃ এর আগমণ ও তাঁর নির্দেশ বাস্তবায়ন কি শিরক?

অপবাদের কবলে ফাযায়েলে আমাল [পর্ব-২] শায়েখ আব্দুল আজীজ দাব্বাগ রহঃ এর ঘটনা ও ইলমে গায়েব?

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম সালেহপুর, আমীনবাজার ঢাকা।

মুহাদ্দিস-জামিয়া উবাদা ইবনুল জাররাহ, ভাটারা ঢাকা।

ইমেইল– ahlehaqmedia2014@gmail.com

আরও জানুন

মরণোত্তর চক্ষুদান করার হুকুম কী?

প্রশ্ন মুফতী সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন হল, মরণোত্তর চক্ষুদান করার হুকুম কী? দয়া করে জানালে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *