হোম / ট্যাগ আর্কাইভ

ট্যাগ আর্কাইভ

শহীদের মর্যাদা ও ফযীলত

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ যদি দ্বীনের উপর অবিচল থাকার কারণে আল্লাহ পাকের কোনো বান্দা-বান্দীকে হত্যা করা হয়, অথবা দ্বীনের পথে জিহাদ ও মেহনত করতে গিয়ে কারো মৃত্যু হয়, তবে শরীয়তের পরিভাষায় তাকে শহীদ বলে। আল্লাহ পাকের দরবারে শহীদের অনেক অনেক মর্যাদা। কোরআন শরীফে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ …

আরো পড়ুন

লেনদেনে সততা ও হালাল জীবিকা

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ লেনদেনে সততা, স্বচ্ছতা ও আমানতদারিতা রক্ষা করা ইসলামের বুনিয়াদি শিক্ষার অন্তর্গত। কোরআন ও হাদীস থেকে জানা যায়, পাক্কা মুসলমান সে-ই, যে লেনদেন ও কায়কারবারে সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার পরিচয় দেয়। ধোকাবাজি, ওয়াদা-খেলাপি, আমানতের খেয়ানত ইত্যাদি অনৈতিক আচরণ থেকে বিরত থাকে। কারো হক নষ্ট করা, ওজনে কম দেওয়া, …

আরো পড়ুন

মোয়াশারাঃ পারস্পরিক হক ও অধিকার

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ মোয়াশারা বা সহঅবস্থানের নীতি, আদব-কায়দা ও শিষ্টাচার ইসলামী শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। খাঁটি মুসলমান হওয়ার জন্য ইসলামী মোয়াশারার অনুসরণ অনুকরণ একান্ত অপরিহার্য। সহঅবস্থানের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আচার ব্যবহারের যে রীতিনীতি ও সংস্কৃতি ইসলাম শিক্ষা দেয়, তাকেই ‘আদাবে মোয়াশারা’ বলে। যেমন মাতা-পিতার সঙ্গে সন্তানের আচরণ কেমন হবে, সন্তানের প্রতি …

আরো পড়ুন

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের উপযুক্ত কেউ নেই, মুহাম্মদ সা. তাঁর রাসুল) প্রিয় ভাই! এটা হলো কালিমায়ে তাইয়েবা (মহা পবিত্র বাক্য)। ইসলামে প্রবেশের একমাত্র দরজা। এর উপর স্থাপিত দ্বীন ও ঈমানের আকাশ-ছোঁয়া মিনার। আজন্ম কাফের-মুশরিকও যদি এ কালিমা গ্রহণ করে এবং বিশ্বাসের সঙ্গে …

আরো পড়ুন

নামাযের গুরুত্ব ও প্রভাব

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উপর ঈমান আনা এবং তাওহীদ ও রেসালাতের সাক্ষ্য দান করার পর ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নামায। এটা আল্লাহ পাকের জন্য খাস একটি ইবাদত। কোরআন শরীফের পঞ্চাশটিরও বেশি আয়াতে এবং নবীজীর শতাধিক হাদীসে দৈনিক পাঁচওয়াক্ত নামায যথাযথভাবে আদায়ের উপর জোর তাগিদ দেয়া …

আরো পড়ুন

দ্বীন শেখার গুরুত্ব ও ফজীলত

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ হে আমার দ্বীনি ভাই! এটা ঠিক যে, সাইয়েদ হওয়ার জন্য সাইয়েদ বংশে জন্ম নেওয়া (এবং বাঙ্গালী হওয়ার জন্য বাংলা ভাষায় কথা বলাই) যথেষ্ট। কিন্তু কেউ যদি দাবী করে, আমি অমুক ভাষায় কথা বলি, অমুক বংশে জন্ম আমার, সুতরাং আমি মুসলমান, মুসলমান হওয়ার জন্য আমাকে এর বেশি …

আরো পড়ুন