হোম / ঈমান ও আমল (page 3)

ঈমান ও আমল

শহীদের মর্যাদা ও ফযীলত

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ যদি দ্বীনের উপর অবিচল থাকার কারণে আল্লাহ পাকের কোনো বান্দা-বান্দীকে হত্যা করা হয়, অথবা দ্বীনের পথে জিহাদ ও মেহনত করতে গিয়ে কারো মৃত্যু হয়, তবে শরীয়তের পরিভাষায় তাকে শহীদ বলে। আল্লাহ পাকের দরবারে শহীদের অনেক অনেক মর্যাদা। কোরআন শরীফে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ …

আরো পড়ুন

সন্তান জানাযা পড়ালে মৃত পিতার কোন ফায়দা হয়?

প্রশ্ন From: আব্দুল বাতেন বিষয়ঃ জানাজার নামাজ প্রশ্নঃ ছেলে যদি মৃত পিতার জানাজা নামাজের ইমামতি করে তাহলে কি মৃত পিতার কোন ফায়েদা বা লাভ হয়ে থাকে ? আমি বিষয় টা বিস্তারিত ভাবে জানতে চাই। উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم সন্তান জানাযার নামায পড়ালে মৃত পিতার কোন ফায়দা হবে মর্মে কোন …

আরো পড়ুন

দরুদ ও সালাম

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ দরুদ এবং সালামও এক প্রকার দুআ। আল্লাহ পাকের নিকট নবীজীর জন্য আমরা এ দুআ করে থাকি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বস্তুত আমাদের উপর আল্লাহ তাআলার পরে নবীজীর অনুগ্রহ সবচে বড়। তিনি হাজারো বিপদ-মুসিবত অতিক্রম করে আমাদের পর্যন্ত দ্বীন পৌঁছিয়েছেন। যদি তিনি সীমাহীন ত্যাগ ও কোরবানী স্বীকার …

আরো পড়ুন

দ্বীনরক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তি ব্যয় করা

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ আমরা যে সত্য ধর্ম গ্রহণ করেছি এবং যে পরকালমুখী সার্বজনীন জীবন ব্যবস্থা অনুসরণ করছি, তা যেন সর্বাস্থায় সুরক্ষিত থাকে এবং ক্রমেই যেন পৃথিবীময় বিস্তৃতি ও প্রতিষ্ঠা লাভ করে এজন্য সর্ব শক্তি নিয়োগ করা আমাদের একান্ত কর্তব্য । দ্বীনী পরিভাষায় একে ‘জিহাদ’ বলে। মুমিনদের প্রতি জিহাদ আল্লাহ …

আরো পড়ুন

দ্বীনের খেদমত ও দাওয়াত

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ নিজে ঈমান আনা এবং শরীয়ত মতো চলা যেমন ফরজ, তেমনি যারা দ্বীন ও শরীয়ত সম্পর্কে অনবহিত, ঈমান ও তাকওয়ার আলোকিত পথের বিষয়ে যারা অনবগত, তাদেরকেও যথাসম্ভব দ্বীন সম্পর্কে অবগতি দান করা এবং সামর্থ অনুসারে দ্বীনের উপর চালানোর চেষ্টা করা সবার উপর ফরজ। আল্লাহ তাআলার নিকট তাবলীগ …

আরো পড়ুন

কুরআন পড়ে ঈসালে সওয়াবের কোন প্রমাণ হাদীস নেই?

প্রশ্ন কুরআন পড়ে মৃত ব্যক্তির জন্য ঈসালে সওয়াবের কথা কী হাদীসে আছে? আজকাল কিছু লা মাযহাবী আলেমরা বলছেন যে, এর কোন প্রমাণ নাকি হাদীসের কোথাও নেই। দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হবো। উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم কুরআন পড়ে ঈসালে সওয়াবের কথা হাদীসে বিদ্যমান রয়েছে। এটা অস্বিকার করার কোন সুযোগ নেই। …

আরো পড়ুন

উঁচু আওয়াজে বয়ান করা উত্তম নাকি নরম সুরে বয়ান করা উত্তম?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম। সম্মানিত মুফতী সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন হল, বাংলাদেশের অনেক বক্তাকেই দেখা যায়, মাইকে বয়ান করার সময়ও অতিরিক্ত জোরে আওয়াজ করে বয়ান করেন। আবার অনেকেই নরম সুরে বয়ান করেন। আমার প্রশ্ন হল, কোনটি সুন্নত তরীকার বয়ান করার পদ্ধতি? জোরে চিল্লিয়ে বয়ান করা? নাকি নরম সুরে বয়ান করা? উত্তরটি …

আরো পড়ুন

তওবা ও ইস্তিগফার

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ আল্লাহ তাআলা নবী পাঠিয়েছেন এবং কিতাব দান করেছেন যেন মানুষ যেন ভালোমন্দ বুঝতে পারে। সওয়াবের কাজ থেকে গোনাহের কাজকে পৃথক করে নিতে পারে। সৎ পথে চলে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি এবং অন্যায় পথ ত্যাগ করে পরকালের মুক্তি অর্জন করেতে পারে। তাই যারা নবী-রাসুলগণ এবং আল্লাহর কিতাবসমুহের উপর …

আরো পড়ুন

কুরআন পাঠের শুরুতে কী পড়তে হয়?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম,আমার প্রশ্ন হচ্ছে কুরআনুল কারিম তেলায়তের পূর্বে কি কি পাঠ করতে হবে? উত্তর وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته بسم الله الرحمن الرحيم কুরআন পাঠের শুরুতে আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রাজীম এবং বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম পাঠ করতে হয়। فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ [١٦:٩٨] অতএব, যখন আপনি …

আরো পড়ুন

আল্লাহ তাআলাকে সৃষ্টিকর্তা পালনকর্তা বলে ডাকা যাবে?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম। আলহামদুলিল্লাহ। আপনাদের ভিডিও দ্বারা খুব উপকৃত হইতেছি। আহলে হাদীসদের বিভ্রান্তি পরিস্কার হচ্ছে। তো ডাক্তার জাকির নায়েক এর বিভ্রান্তি করা ভিডিও দেখে বুঝলাম আল্লাহকে তার আসমাউল হুসনা অনুসারে ডাকতে হবে। তো আমার প্রশ্ন হল, আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলা, প্রতিপালক, রিজিকদাতা আল্লাহ তাআলা এগুলা বলা কি ভুল? শুধু আরব …

আরো পড়ুন

দুআ ও পার্থনা

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ এটা সর্বজনস্বীকৃত সত্য যে, এই পৃথিবীর সবকিছু আল্লাহ পাকের হুকুমে চলছে। ছোটবড় সব কিছু তার কুদরতি কব্জায় রয়েছে। সুতরাং সকল সমস্যায় তাকে ডাকা এবং সকল প্রয়োজনে তার নিকট দুআ করা একান্ত স্বভাবসিদ্ধ বিষয়। এই জন্য সকল ধর্মে প্রার্থনার বিধান রয়েছে। সবাই আপন আপন প্রয়োজনে সৃষ্টিকর্তার নিকট …

আরো পড়ুন

জান্নাত ও জাহান্নাম

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ পৃথিবীতে ঈমানের সঙ্গে সঙ্গে যাদের আমলও ভালো ছিলো, হাশরের মাঠে তারা আল্লাহ পাকের আরশের ছায়াতলে স্থান পাবে। বরযখ ও কেয়ামতের সময়টা তাদের আরামে কাটবে এবং তারা দ্রুত জান্নাতে চলে যাবে। আর গুনাহগার মুমিনরা ক্ষমা প্রাপ্ত না হলে বরযখ ও কেয়ামতের আযাব এবং পাপ অনুপাতে জাহান্নামের শাস্তিও …

আরো পড়ুন