হোম / ইসলাহী/আত্মশুদ্ধি / দ্বীনের খেদমত ও দাওয়াত
বিস্তারিত জানতে ছবির উপর টাচ করুন

দ্বীনের খেদমত ও দাওয়াত

আল্লামা মনজূর নূমানী রহঃ

নিজে ঈমান আনা এবং শরীয়ত মতো চলা যেমন ফরজ, তেমনি যারা দ্বীন ও শরীয়ত সম্পর্কে অনবহিত, ঈমান ও তাকওয়ার আলোকিত পথের বিষয়ে যারা অনবগত, তাদেরকেও যথাসম্ভব দ্বীন সম্পর্কে অবগতি দান করা এবং সামর্থ অনুসারে দ্বীনের উপর চালানোর চেষ্টা করা সবার উপর ফরজ।

আল্লাহ তাআলার নিকট তাবলীগ তথা দ্বীনের প্রচার ও প্রসারের কাজ এত গুরুত্বপূর্ণ যে, এর জন্য তিনি হাজারো নবী ও রাসুল প্রেরণ করেছেন। তাঁরা মানুষের হেদায়েত ও সজ্জীবনের জন্য জান-মাল সবকিছু কোরবান করেছেন। (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উপর এবং তাঁদেরকে সঙ্গ দানকারী সকলের উপর রহমতের বারিধারা নাযিল করুন, আমীন।)

নবীগণের আগমনের ধারা হযরত মোহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সমাপ্ত হয়ে গেছে। নবীজীর মাধ্যমে আল্লাহ পাক এই ঘোষণা দিয়েছেন যে, মানুষের হেদায়েত ও সংশোধন এবং দ্বীনের দাওয়াত ও তালীমের জন্য আমার পর নতুন কোনো নবী আসবে না। বরং কেয়ামত পর্যন্ত এই কাজ তাদের উপর ন্যাস্ত থাকবে, যারা নবীজীর আনীত দ্বীনের উপর ঈমান আনবে এবং তাঁর দেয়া হেদায়েত কবুল করে নেবে।

মোটকথা, নবুওয়তের ধারা বন্ধ হওয়ার পর দ্বীনের দাওয়াত ও তাবলীগ এবং উম্মতের এসলাহ ও সংশোধনের কাজসহ সকল নবী-অলা কাজের দায়িত্ব কেয়ামত পর্যন্ত আগত প্রত্যেক মুসলমানের উপর অর্পিত হয়েছে। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,

كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ
তোমরা হলে সর্বোত্তম জামাত। মানব জাতির কল্যাণে তোমাদেরকে বের করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের কথা বলতে থাকবে, অন্যায় থেকে বারণ করতে থাকবে আর আল্লাহ তাআলার উপর রাখবে সর্বোচ্চ ঈমান। সূরা আলে ইমরান ৩/১১০

আয়াত থেকে বোঝাগেলো, এই উম্মত দুনিয়ার অন্যান্য উম্মতের তুলনায় একারণে শ্রেষ্ঠ যে, তারা নিজেরা অন্যায় থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, অপরকেও অন্যায় থেকে বাধা দান করে। এটা এই উম্মতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। একারণেই তাদেরকে ‘খায়রু উম্মত’ বলা হয়েছে। সুতরাং উম্মত যদি এ কাজ না করে, তবে তারা এই ফযীলতের হকদার হবে না, বরং আল্লাহ তাআলার দরবারে মারাত্মক অপরাধী বলে সাব্যস্ত হবে। কেননা এত বড় মহান একটি কাজ আল্লাহ পাক তাদের নিকট সোপর্দ করেছেন, কিন্তু তারা এর কোনো কদর-মূল্যায়ন করেনি। একজন বাদশাহ যদি তার কিছু সিপাহিকে কোনো শহরের দুর্বৃত্তদের দমনের জন্য প্রেরণ করে, তখন যদি সিপাহিরা তাদের দমন না করে নিজেরাও অন্যায় অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে, তবে বলার অপেক্ষা রাখে না, সিপাহিদের এই আচরণ কঠিন শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হয় এবং অন্যদের তুলনায় এদের শাস্তি আরও কঠিন হয়।

আজ আফসোস! শত আফসোস! মুসলামানদের অবস্থা এই যে, দ্বীনের খেদমত, দ্বীনের দাওয়াত এবং মানুষের হেদায়েত ও সংশোধনের ফিকির তো দূরের কথা, খোদ নিজেরাও নেক কাজ করা এবং অন্যায় থেকে বিরত থাকার নীতিতে শতকরা ১০ভাগ উত্তীর্ণ নয়।

এমতাবস্থায় আমাদের প্রথম ফরজ দায়িত্ব হলো, উম্মতের যে শ্রেণীর মাঝে দ্বীনী যিন্দেগী নেই, যাদের মাঝে শরীয়ত মতো চলার কোনো আগ্রহ নেই, তাদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া, তাদেরকে হেদায়েত ও শান্তির পথে আহ্বান করা। কারণ যারা নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবী করে, যদিও তাদের ব্যবহারিক জীবন অন্যরকম, তবু তারা মুসলিম সমাজেরই অংশ, সুতরাং তাদের এসলাহ ও সংশোধনের বিষয়টি আগে ভাবতে হবে।

সন্তানসন্ততি ও পরিবার-পরিজনের দেখভালের বিষয় যেমন অন্যদের তুলনায় অগ্রাধিকার পায়, তেমনি অমুসলিমকে দাওয়াত দেওয়ার আগে মুসলমানকে দাওয়াত দেওয়ার বিয়ষটি আমলে নিতে হবে।

এ ছাড়াও মুসলমানদের চলমান জীবনাচারের দিকে তাকালে ইসলামের কোনো সৌন্দর্য ও সুষমা নজরে আসে না, বরং মুসলমানদের আচরণ দেখে বিধর্মীরা ইসলাম ধর্মের প্রতিই বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের চিরাচরিত নীতি হলো, তারা শুধু ধর্মাবলম্বীদের আচার-ব্যবহার দেখে ঐ ধর্মের ভালোমন্দ বিচার করা।

ফলে দেখা যায়, মুসলমানরা যখন শরীয়ত মতো চলতো, ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক জীবনকে ঢেলে সাজাতো, তখন অন্যরা মুসলমানদের আদব-কায়দা দেখেই মুসলমান হয়ে যেতো। গ্রামের পর গ্রাম শুধু একজন মুসলমানের আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণ করতো। কিন্তু আজ আমরা যখন ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি ছেড়ে দিলাম, আমাদের দিল থেকে যখন ঈমান ও তাকওয়ার নূর গায়েব হয়ে গেলো, তখন পুরো পৃথিবী ইসলাম সম্পর্কেই ভুল ধারণার স্বীকার হয়ে পড়লো।

যাইহোক, এ-কথা সব সময় স্মরণ রাখতে হবে যে, মুসলমানদের কল্যাণমুখী সুন্দর জীবনাচারই ইসলামের সৌন্দর্য ও শ্রেষ্ঠত্বের দৃষ্টিগ্রাহ্য দলিল। অতএব মুসলমান ভালো হলে ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ধারণাও ভালো হবে এবং তারা আপসে আপ ইসলামের প্রতি আকর্ষিত হবে।

কিন্তু আমাদের আচরণ যদি খারাপ হয় তাহলে ইসলাম সম্পর্কে পুরো পৃথিবী অমূলক ধারণা পোষণ করতে থাকবে। তখন ইসলামের দাওয়াত তাদের অন্তরে রেখাপাত করবে না। সুতরাং তাদের কাছে দাওয়াত পৌঁছানোর বিষয়টিও আমাদের নিজেদের ভালো হওয়ার উপর নির্ভরশীল। তাই প্রথমে মুসলমানদের মাঝেই দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ পুরোদমে চালু করা জরুরি।

কোরাআন শরীফে আল্লাহ পাক দ্বীনের খেদমত ও দাওয়াতকে ‘বড় জিহাদ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ইরশাদ হচ্ছে,

فَلَا تُطِعِ الْكَافِرِينَ وَجَاهِدْهُمْ بِهِ جِهَادًا كَبِيرًا
সুতরাং হে রাসূল! তাদের কথায় আপনি কর্ণপাত করবেন না, আপনি বরং এই কোরআনের মাধ্যমে (দ্বীন প্রচারের) বড় জিহাদে সর্বশক্তি নিয়োগ করুন। সূরা ফুরকান ২৫/৫২

বস্তুত কোন সন্দেহ নেই যে, এই যামানার প্রতিকূল পরিবেশে এখলাসের সঙ্গে দাওয়াতের কাজ করাটা অনেক বড় জিহাদ। কারো কারো ধারণা, শরীয়তের স্বীকৃত নীতিমালার আলোকে ইসলাম ধর্মের জন্য যে যুদ্ধ হয়, তাকেই শুধু ‘জিহাদ’ বলে। আসলে জিহাদ শব্দের অর্থ আরও ব্যাপক। দ্বীনের হেফাজত ও দাওয়াত এবং মানুষের এসলাহ ও সংশোধনের জন্য যখন যে পন্থায় কাজ করা প্রয়োজন, সে পন্থায় সর্ব শক্তি নিয়োগ করাকে ‘জিহাদ’ বলে।

হিজরতের পূর্বে এক যুগেরও অধিক কাল নবীজী মক্কা নগরীতে ছিলেন। তখন নবীজী ও তার সাথী-সঙ্গীদের জিহাদ এটাই ছিলো যে, তাঁরা জুলুম-নির্যাতন এবং আপনজনদের অবাঞ্ছিত বিরুদ্ধাচরণ সত্ত্বেও মানুষকে দ্বীনের দাওয়াত দিতেন। সুন্দর ও সুশীল জীবনের প্রতি আহ্বান জানাতেন।

মোটকথা, পথহারা মানুষকে পথের সন্ধান দেওয়া, ‘আল্লাহ-ভোলা’ মানুষকে আল্লাহ পাকের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া এবং এর জন্য নিজের জানমাল খরচ করা, আরাম-আয়েশ বিসর্জন দেওয়া ইত্যাদি আল্লাহ পাকের নিকট জিহাদ বলে গণ্য। লেখকের নিকট রাষ্ট্রীয় শক্তির অবর্তমানে এখন এই প্রক্রিয়ার জিহাদই অধিক কার্যকর বলে মনে হয়।

দাওয়াতের কাজ করার ফায়দা এবং না করার ক্ষতি সম্পর্কে বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এক হাদীসে এসেছে,

مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى، كَانَ لَهُ مِنَ الْأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ تَبِعَهُ، لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا
যে ব্যক্তি মানুষকে সঠিক পথের দাওয়াত দেয়, নেক কাজের প্রতি আহ্বান জানায়, তার কথায় যত মানুষ যত নেক আমল করবে, সে একা সবার সকল আমলের সমান সওয়াব লাভ করবে। অবশ্য এই কারণে আমলকারীর ভাগে কোনো কম পড়বে না। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬৭৪

হাদীস থেকে বোঝাগেলো, যদি আপনার দাওয়াতে ১০/২০ জন মানুষ হেদায়েত পেয়ে যায়, সৎ পথে চলতে শুরু করে, ইবাদত বন্দেগীর পাবন্দ হয়ে যায়, অন্যায়-অনাচার থেকে পরহেয করতে থাকে, তাহলে তারা সকলে মিলে যত সওয়াব পাবে, আপনি একা তাদের সকলের সমপরিমাণ সওয়াবের মালিক হবেন। চিন্তা করলে আর্শ্চয হতে হয়, হাজারো লাখো মানুষের সমপরিমাণ সওয়াবের অধিকারী হওয়ার জন্য এ-ছাড়া দোসরা কোনো পথ নেই! একবার নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আলী রাযিআল্লাহু আনহুকে সম্বোধন করে বললেন,

فَوَاللَّهِ لَأَنْ يُهْدَى بِكَ رَجُلٌ وَاحِدٌ خَيْرٌ لَكَ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ
কসম খোদার! তোমার মাধ্যমে একজন মানুষের হেদায়েত হওয়াটা তোমার জন্য অনেকগুলি ‘লাল উটের’ মালিক হওয়ার চেও অধিক সৌভাগ্যের বিষয়। বুখারী, হাদীস নং ২৯৪২

মূলত মানুষকে সৎ পথে চালানো এবং নেক কাজে লাগানো নায়েবে নবীর কাজ। সুতরাং এর মর্যাদাও অনেক। দুনিয়ার বড় বড় ধনদৌলতও এর তুলনায় অতি সামান্য, অতি তুচ্ছ।

হাদীস শরীফে নবীজী উদাহরণ দিয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বড় সুন্দর করে বুঝিয়েছেন,

مَثَلُ القَائِمِ عَلَى حُدُودِ اللَّهِ وَالوَاقِعِ فِيهَا، كَمَثَلِ قَوْمٍ اسْتَهَمُوا عَلَى سَفِينَةٍ، فَأَصَابَ بَعْضُهُمْ أَعْلاَهَا وَبَعْضُهُمْ أَسْفَلَهَا، فَكَانَ الَّذِينَ فِي أَسْفَلِهَا إِذَا اسْتَقَوْا مِنَ المَاءِ مَرُّوا عَلَى مَنْ فَوْقَهُمْ، فَقَالُوا: لَوْ أَنَّا خَرَقْنَا فِي نَصِيبِنَا خَرْقًا وَلَمْ نُؤْذِ مَنْ فَوْقَنَا، فَإِنْ يَتْرُكُوهُمْ وَمَا أَرَادُوا هَلَكُوا جَمِيعًا، وَإِنْ أَخَذُوا عَلَى أَيْدِيهِمْ نَجَوْا، وَنَجَوْا جَمِيعًا
ধরো, একটি দোতলা জাহাজ! নিচতলার লোকেরা পানির জন্য দোতলায় আসে। এটা উপরের লোকদের জন্য কষ্টের ও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এখন যদি নিচতলার লোকেরা অজ্ঞতাবশত জাহাজের তলদেশে পানির জন্য ছিঁদ্র করতে শুরু করে আর উপর তলার লোকেরা তাতে বাধা না দেয়, তবে সাবাই ডুবে মরবে। আর যদি উপর তলার লোকেরা তাদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বিরত রাখতে পারে, তাহলে তারা তাদেরকে যেমন বাঁচাবে, নিজেরাও তেমনি বেঁচে যাবে। নবীজী বলেন, নেককাজ ও মন্দ কাজের অবস্থাও ঠিক তেমনি । কোনো এলাকার লোকেরা যদি মূর্খোচিত কাজে ও গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়ে, কিন্তু এলাকার বিজ্ঞজন ও নেককার লোকেরা তাদের এসলাহ ও সংশোধনের চেষ্টা না করে, তাহলে আল্লাহ তাআলার আযাবে তারাও নিপতিত হয়। আর যদি তারা অন্যায় ও পাপাচার বিদূরণের চেষ্টা করে, তবে সকলেই আযাব থেকে বেঁচে যায়। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৪৯৩

অন্য হাদীসে এসেছে,

وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَتَأْمُرُنَّ بِالمَعْرُوفِ وَلَتَنْهَوُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ أَوْ لَيُوشِكَنَّ اللَّهُ أَنْ يَبْعَثَ عَلَيْكُمْ عِقَابًا مِنْهُ ثُمَّ تَدْعُونَهُ فَلاَ يُسْتَجَابُ لَكُمْ
ঐ আল্লাহর কসম, যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা সৎকাজের আদেশ করো আর অসৎকাজ থেকে নিষেধ করতে থাকো। মনে রেখো, যদি তোমরা তা না করো, তবে প্রবল আশংকা আছে যে, আল্লাহ পাক তোমাদের উপর কঠিন কোনো আযাব নাযিল করবেন। তখন বাঁচার জন্য হাজার দুআ করলেও তা শোনা হবে না। -সুনানে তিরমিযি, হাদীস নং ২১৬৯

প্রিয় ভায়েরা!

অন্তর্দৃষ্টি ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন অনেক ওলী বুযুর্গের মত হলো, কয়েক যুগ ধরে মুসলমানদের উপর যে বিপদ-মুসীবত আসছে, যে লাঞ্ছনা ও গঞ্জনা তাদের উপর আপতিত হচ্ছে এবং শত দুআ-কালামের পরও যার কোনো প্রতিকার মিলছে না, তার একটি বড় কারণ হলো, আমরা দ্বীনের খেদমত ও দাওয়াত এবং মানুষের এসলাহ ও হেদায়েতের কাজ ছেড়ে দিয়েছি। অথচ এ-কাজের জন্য আমরা বিশেষভাবে আদিষ্ট এবং নবুওয়তের ধারা বন্ধ হওয়ার পর এই কাজের পূর্ণ দায়িত্ব আমাদের কাঁধেই সমর্পিত! সুতরাং এ কাজ ছেড়ে দেয়ার কারণেই অবাধ্য সৈনিকের মতো আমরা খোদায়ী শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছি। আল্লাহ পাক সকলকে বোঝার তাওফীক দান করুন এবং আসুন, আমরা আজ থেকে আল্লাহর দ্বীনের দাওয়াত ও খেদমত করার শপথ গ্রহণ করি। তাহলে আল্লাহ পাকও আমাদের সহায় হবেন। কোরআন শরীফে আল্লাহ পাক সাহায্য আর মদদের ওয়াদা করে বলেন,

وَلَيَنْصُرَنَّ اللَّهُ مَنْ يَنْصُرُهُ
যারা আল্লাহর দ্বীনের খেদত করে, অতি অবশ্যই আল্লাহ পাক তাদেরকে সাহায্য করবেন। সূরা হজ্ব ২২/৪০

Print Friendly, PDF & Email
বিস্তারিত জানতে ছবির উপর টাচ করুন

এটাও পড়ে দেখতে পারেন!

কুরআন পাঠের শুরুতে কী পড়তে হয়?

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম,আমার প্রশ্ন হচ্ছে কুরআনুল কারিম তেলায়তের পূর্বে কি কি পাঠ করতে হবে? উত্তর …