হোম / নফল ইবাদত / রোযা রেখে তারাবীহ না পড়লেও কি চলবে?
Call : 01922 319 514 বিস্তারিত জানতে ছবির উপর টাচ করুন

রোযা রেখে তারাবীহ না পড়লেও কি চলবে?

প্রশ্ন

আমি জানতে চাই রোজা রেখে তারাবীর নামাজ না পড়লে কি চলবে?

উত্তর

بسم الله الرحمن الرحيم

রোযা রাখা ফরজ আর তারাবীহ নামায পড়া সুন্নাতে মুআক্কাদা।

তাই না পড়লে সুন্নত ছেড়ে দেবার গোনাহ হবে। এ কারণে রোযা রাখার সাথে সাথে তারাবীহ নামাযও নিয়মিত আদায় করতে হবে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ

شَهْرٌ كَتَبَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ، وَسَنَنْتُ لَكُمْ قِيَامَهُ، فَمَنْ صَامَهُ وَقَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا خَرَجَ مِنْ ذُنُوبِهِ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ

রমজান মাসে আল্লাহ তোমাদের উপর রোযাকে ফরজ করেছেন, আর আমি তোমাদের জন্য এ মাসের রাতের কিয়াম তথা তারাবীহকে সুন্নত করেছি। সুতরাং যে ব্যক্তি রোযা ও তারাবীহ ঈমান ও সওয়াব পাবার আশায় করবে, সে ব্যক্তি গোনাহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হবে, যেন সে মায়ের পেট থেকে জন্ম নিয়েছে। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৩২৮, শুয়াবুল ঈমান লিলবায়হাকী, হাদীস নং-৩৬১৮)

قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ وَسَنَنْتُ لَكُمْ قِيَامَهُ، فَمَنْ صَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর রমজানের রোযাকে ফরজ করেছেন, আর এর রাতে তারাবীহ পড়াকে আমি সুন্নত করেছি। সুতরাং যে ব্যক্তি রোযা রাখবে ঈমান ও সওয়াবের আশায় তার পিছনের সমস্ত গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। [মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৭৭০৫, শুয়াবুল ঈমান লিলবায়হাকী, হাদীস নং-৩৬১৯]

مَسْأَلَةٌ: قَالَ (وَقِيَامُ شَهْرِ رَمَضَانَ عِشْرُونَ رَكْعَةً) . (يَعْنِي) (صَلَاةَ التَّرَاوِيحِ) وَهِيَ سُنَّةٌ مُؤَكَّدَةٌ، وَأَوَّلُ مَنْ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – يَرْغَبُ فِي قِيَامِ رَمَضَانَ، مِنْ غَيْرِ أَنْ يَأْمُرَهُمْ فِيهِ بِعَزِيمَةٍ، فَيَقُولُ: مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ (المغنى لابن قدامة-2/364)»

 (قَوْلُهُ وَالْجَمَاعَةُ فِيهَا سُنَّةٌ عَلَى الْكِفَايَةِ إلَخْ) أَفَادَ أَنَّ أَصْلَ التَّرَاوِيحِ سُنَّةُ عَيْنٍ، فَلَوْ تَرَكَهَا وَاحِدٌ كُرِهَ، بِخِلَافِ صَلَاتِهَا بِالْجَمَاعَةِ فَإِنَّهَا سُنَّةُ كِفَايَةٍ، فَلَوْ تَرَكَهَا الْكُلُّ أَسَاءُوا؛ أَمَّا لَوْ تَخَلَّفَ عَنْهَا رَجُلٌ مِنْ أَفْرَادِ النَّاسِ وَصَلَّى فِي بَيْتِهِ فَقَدْ تَرَكَ الْفَضِيلَةَ، وَإِنْ صَلَّى أَحَدٌ فِي الْبَيْتِ بِالْجَمَاعَةِ لَمْ يَنَالُوا فَضْلَ جَمَاعَةِ الْمَسْجِدِ (رد المحتار، كتاب الصلاة، باب الوتر والنوافل، مبحث صلاة التراويح-2/495

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম সালেহপুর, আমীনবাজার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা-জামিয়া ফারুকিয়া দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা।

ইমেইল– ahlehaqmedia2014@gmail.com

Print Friendly, PDF & Email
Call : 01922 319 514 বিস্তারিত জানতে ছবির উপর টাচ করুন

এটাও পড়ে দেখতে পারেন!

আলেম উলামাগণকে “হুজুর” বলে সম্বোধন করা নাজায়েজ?

প্রশ্ন From: shafiqullah বিষয়ঃ হুজুর শব্দ আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন হলে ,কোনো আলেমকে  হুজুর বলে …