হোম / প্রশ্নোত্তর / কা’বে আহবার বর্ণিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের ফাযায়েল সম্পর্কিত বর্ণনা প্রসঙ্গে

কা’বে আহবার বর্ণিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের ফাযায়েল সম্পর্কিত বর্ণনা প্রসঙ্গে

প্রশ্ন

Arifin

Mohakhali, Dhaka.

Hazrat is this sohi?
“Hazrat Khahab Ahbar (Radi Allah Anhu) states that he saw in Torah that Allah Azwajjal said to Musa (Alahe Salam), O Musa when the Ummatof Muhammad (SalAllaho Alahi WaAlehi Wasalam) reads two rakat for Fajr I will forgive all the sins that they have committed during that day and night.

When they read four rakat for Zuhr I will reward them for each rakat,the first rakat will be for forgiveness, the second will be on the of judgment I will make their goods deeds more heavy. The third rakat will the angels will do dua for their forgiveness, and for whomever the angels do dua for I promise that I will forgive them. The forth rakat the sky will be opened for them and the Hoors from the jannat will directly look at them.

O Musa when the ummat of Muhammad (SalAllaho Alahi WaAlehi Wasalam) will read the four rakat of Asr there will not be single angel that will not do dua for the namazi.

O Musa when they will read the three rakat for Magrib I will open the skies and whatever the namazi prays for his prays will be granted

 O Musa for Isha’s four rakat he will be the better than all the rich people in the world, his sins will be forgiven and will be like a new born”

উত্তর

بسم الله الرحمن الرحيم

কাবে আহবার থেকে ইমাম আবু নুআঈম রহঃ তার বিখ্যাত কিতাব “হিলয়াতুল আওলিয়া” নামক গ্রন্থে একটি বিশাল হাদীস এনেছেন। সূত্র উল্লেখ করার পর তিনি লিখেন, আল্লাহ তাআলা হযরত মুসা আঃ উপর তৌরাতে ওহী নাজিল করে জানালেন। দীর্ঘ হাদীসটির এক পর্যায়ে এসেছেঃ

يَا مُوسَى رَكْعَتَانِ يصَلِّيهَا مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ مَا بَيْنَ طُلُوعِ الْفَجْرِ وَطُلُوعِ الشَّمْسِ مَنْ يصَلِّيهَا غَفَرْتُ لَهُ مَا أَصَابَ مِنْ يَوْمِهِ وَلَيْلَتِهِ وَيَكُونُ فِي ذِمَّتِي، يَا مُوسَى بِحَقٍّ أَقُولُ لَكَ مَنْ مَاتَ وَهُوَ فِي ذِمَّتِي فَلَا ضَيْعَةَ عَلَيْهِ، يَا مُوسَى وَأَرْبَعُ رَكَعَاتٍ يصَلِّيهَا مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ عِنْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ، عَنْ كَبِدِ السَّمَاءِ قَدْرَ شِرَاكٍ أُعْطِيهِمْ بِرَكْعَةٍ مِنْهَا الْمَغْفِرَةَ وَبِالثَّانِيَةِ أُثَقِّلْ بِهَا مَوَازِينَهُمْ وَبِالثَّالِثَةِ آمُرُ مَلَائِكَتِي يَسْتَغْفِرُونَ لَهُمْ، وَبِالرَّابِعَةِ تُفْتَحُ لَهُمْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ وَأُزَوِّجُهُمْ مِنَ الْحُورِ الْعِينِ وَتُشْرِفُ عَلَيْهِمُ الْحُورُ الْعِينُ، فَإِنْ سَأَلُونِي الْجَنَّةَ أَعْطَيْتُهُمْ وَزَوَّجْتُهُمْ مِنَ الْحُورِ الْعِينِ، يَا مُوسَى وَأَرْبَعُ رَكَعَاتٍ يصَلِّيهَا مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ بِالْعَشِيِّ لَا يَبْقَى مَلَكٌ مُقَرَّبٌ فِي السَّمَوَاتِ [ص:35] وَالْأَرْضِ إِلَّا اسْتَغْفَرَ لَهُمْ، وَمَنِ اسْتَغْفَرَتْ لَهُ مَلَائِكَتِي لَمْ أُعَذِّبْهِ، يَا مُوسَى وَثَلَاثُ رَكَعَاتٍ يصَلِّيهَا مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ حِينَ يَغِيبُ ضَوْءُ النَّهَارِ وَهُوَ مُسْتَغْفِرٌ لَهُمْ وَيَغْشَاهُمْ لَيْلٌ وَهُوَ مُسْتَغْفِرٌ لَهُمْ وَمَنِ اسْتُغْفِرَ لَهُ وَلَمْ يَعْصِنِي غَفَرْتُ لَهُ، يَا مُوسَى وَأَرْبَعُ رَكَعَاتٍ يصَلِّيهَا مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ حِينَ يَغِيبُ الشَّفَقُ تُفْتَحُ لَهُمْ أَبْوَابُ السَّمَاءِ حِيَالَ رُءُوسِهِمْ فَلَا يَسْأَلُونِي حَاجَةً إِلَّا أَعْطَيْتُهُمْ،

হে মুসা! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার উম্মত সুবহে সাদিক ও সুর্যোদয়ের মাঝে দুই রাকাত নামায পড়বে। যারা উক্ত নামাযটি পড়বে আমি তার কৃত উক্ত দিন ও রাতের গোনাহ ক্ষমা করে দিব। আর সে থাকবে আমার যিম্মায়। হে মুসা! আমি তোমাকে দায়িত্ব নিয়ে বলছি যে, আমার যিম্মায় থাকা অবস্থায় কেউ মারা গেলে তার কোন ক্ষতির শংকা নেই।

হে মুসা! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার উম্মত সূর্য মধ্যাকাশ থেকে সূতা পরিমাণ ঢলার পর চার রাকাত নামায পড়বে। ১ম রাকাতের বিনিময়ে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। আর ২য় রাকাতের বিনিময়ে আমি তার মিযানের পাল্লা  ভারী করে দিব। ৩য় রাকাতের বিনিময়ে তার জন্য ক্ষমা পার্থনা করতে আমি ফেরেশতাদের আদেশ করবো। আর ৪র্থ রাকাতের বিনিময়ে আমি তার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেবো, এবং জান্নাতের হুরের সাথে তাকে বিয়ে দেবো। উপর থেকে জান্নাতের হুর তাদের তাকিয়ে দেখতে থাকবে। যখন তারা আমার কাছে জান্নাত চায়, তখন আমি তাদের তা দিয়ে দেব, এবং জান্নাতের হুরদের সাথে তাদের বিয়ে দেব।

হে মুসা! আর অপরাহ্নে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার উম্মত চার রাকাত নামায পড়বে। তখন আসমানে ও জমিনে এমন কোন নৈকট্যশীল ফেরেশতা বাদ থাকবে না, যারা তাদের ক্ষমা প্রার্থনা করবে না। আর যার জন্য আমার ফেরেশতাগণ ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাদের শাস্তি দিবো না।

হে মুসা! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার উম্মত দিনের আলো অস্তমিত হবার পর তিন রাকাত নামায পড়বে। তখন দিন ও রাত তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে। আর যখন গোনাহহীন কেউ কারো জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তখন আমি প্রার্থিত ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দেই।

হে মুসা! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার উম্মত যখন পশ্চিমাকাশের শুভ্রতা দূরিভূত হবার পর চার রাকাত নামায আদায় করবে। তখন আমি তাদের মাথার উপরে আসমানের দরজা খুলে দেই। তখন তারা যে বিষয়েই আমার কাছে চায়, আমি তাদের তা দিয়ে দেই। [হিলয়াতুল আওলিয়া ওয়া তাবক্বাতুল আছফিয়া-৪/৪৩৮]

উক্ত বর্ণনাটি ইমাম আবু নুআইম রহঃ তার হিলয়াতুল আওলিয়া কিতাবে সূত্রসহ উল্লেখ করেছেন। এটি জাল বর্ণনা নয়। তাই এটি বর্ণনা করাতে দোষ নেই।

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম সালেহপুর, আমীনবাজার ঢাকা।

মুহাদ্দিস-জামিয়া উবাদা ইবনুল জাররাহ, ভাটারা ঢাকা।

ইমেইল– ahlehaqmedia2014@gmail.com

         

Print Friendly, PDF & Email

এটাও পড়ে দেখতে পারেন!

ঈদের রাতে অসুস্থ্য কুরবানীর পশু কুরবানীর নিয়তে জবাই করলে কুরবানী হবে কি?

প্রশ্ন আমার প্রশ্ন হল, কুরবানীর জন্য ক্রয় করা একটি পশু ঈদের আগের দিন রাতে হঠাৎ …