হোম / জিহাদ ও কিতাল / ছোট জিহাদ ও বড় জিহাদ সম্পর্কে তাহকীক
বিস্তারিত জানতে ছবির উপর টাচ করুন

ছোট জিহাদ ও বড় জিহাদ সম্পর্কে তাহকীক

প্রশ্ন:

Faruk Mozumder

তাবুকের যুদ্ধে জয় লাভ করার পর মহানবী (সঃ) বলেন, রাজানা মিনাল জিহাদে সাগিরা ইলাল জিহাদে কাবিরা

অর্থাৎআমরা ছোট জেহাদ (জিহাদে সাগিরা) হতেবড় জেহাদের (জিহাদে কাবিরা) দিকে ফিরে এসেছি।-(তিরমিজি শরীফ)

প্রশ্নউঠেছিল, বড় জেহাদ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? মহানবী (সঃ) বলেছিলেন, আপন নফসেরবিরুদ্ধেযুদ্ধকরাটাইহলোজেহাদেআকবর বা জিহাদে কাবিরা তথা বড় জেহাদতথা আসলজেহাদ। আর ‘জেহাদে আসগর বা জিহাদে সাগিরা হল ছোট জেহাদ।

প্রশ্ন:

হাদিস টি কি তিরমিজি  শরীফ থেকে নেওয়া হয়েছে?

কাফেরদের বিরুদ্ধে অস্ত্রযুদ্ধে জয়লাভ করাই যদি একমাত্র জেহাদ বলে আমরা ধরে নেই, তাহলে মহানবী (সঃ)’র এরকম উপদেশ দেবার অর্থ কী হতে পারে?

আর তিনি জেহাদকে ভাগই বা করে দেখালেন কেন?

কেন তিনি অস্ত্র-সস্ত্রের যুদ্ধকে জেহাদে সাগীর বা ছোট জেহাদ বললেন?

তাহলে জেহাদে আকবর বলতে তিনি কী বুঝাতে চেয়েছেন?

 

জবাব:

بسم الله الرحمن الرحيم

 

أنه قال في غزوة تبوك : رجعنا من الجهاد الأصغر إلى الجهاد الأكبر

অর্থাৎ রাসূল সাঃ তাবুক যুদ্ধ থেকে ফিরে বলেন-আমরা ছোট জিহাদ থেকে ফিরলাম বড় জিহাদের দিকে।

এখানে ছোট জিহাদ বলতে কিতাল ফি সাবিলিল্লাহ বুঝানো হয়েছে। আর বড় জিহাদ বলতে মনের খাহেশাত তথা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণের বিরুদ্ধে চেষ্টা প্রচেষ্টাকে বুঝানো হয়েছে।

এ হাদীসটি তিরমিজিতে বর্ণিত হয়নি।

হাদীসটি সম্পর্কে মুহাদ্দিসীনদের বক্তব্য হল-

১-মোল্লা আলী ক্বারী রহঃ বলেন-বলা হয় যে, এর কোন ভিত্তি নেই, অথবা এটি জাল। {আল আসরার মারফুআহ-২১১}

২-আল্লামা জায়লায়ী রহঃ বলেন-হাদীসটি একেবারেই বিরল (গরীব)। {তাখরীজুল কাশশাফ-২/৩৯৫}

৩-আল্লামা ইবনে তাইমিয়া রহঃ বলেন-এর কোন ভিত্তি নেই। {মাজমুউল ফাতওয়া-১১/১৯৭}

সুতরাং বুঝা গেল যে, এ শব্দে হাদীসটি জাল।

কিন্তু এ বক্তব্যের কাছাকাছি ও এরই মূলার্থবহ আরো হাদীস রয়েছে, যা দুর্বল হলেও জাল নয়। যেমন-

عن أبي ذر قال: قلت يا رسول الله أي الجهاد أفضل قال: أن يجاهد الرجل نفسه وهواه

অনুবাদ-হযরত আবু জর রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম-কোন জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি বললেন-নফস ও কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদই উত্তম জিহাদ।

জামিউল আহাদীস, হাদীস নং-৩৯৭৭

কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আক্বওয়াল ওয়াল আফআল, হাদীস নং-১১৭৮০

অন্য আরেক হাদীসে রাসূল সাঃ সাহাবাগণকে সম্বোধন করে বলেন-

وقدمتم من الجهاد الأصغر إلى الجهاد الأكبر مجاهدة العبد هواه”. “خط عن جابر

অনুবাদ-হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন-তোমরা ছোট জিহাদ (কিতাল ফি সাবিলিল্লাহ) থেকে বড় জিহাদের দিকে আগমন করেছো, সেটা হল কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ।

কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আক্বওয়াল ওয়াল আফআল, হাদীস নং-১১২৬০

কাশফুল খাফা, হাদীস নং-২৪৫

এ হাদীসের ব্যাপারে মুহাদ্দিসীনদের মন্তব্য হল, হাদীসটি দুর্বল, কিন্তু জাল নয়।

দ্রষ্টব্য-

১-আল জামেউল সাগীর লিস সুয়ুতী রহঃ-৬১০৭

২-আন নাওয়াফেউল আত্বরাহ-২২৪

৩-নূরুল ইকতিবাছ-৩/১৫৭

৪-জামেউল উলুমে ওয়াল হিকামে-১/৪৯৮

আর লা-মাযহাবী নাসীরুদ্দীন আলবানী রহঃ মন্তব্য করেছেন-হাদীসটি সহীহ। {সহীহুল জামে-১০৯৯}

 

জিহাদ কত প্রকার?

জিহাদ অনেক প্রকারের হতে পারে। যেমন-

 

১-কিতাল ফি সাবিলিল্লাহ। তথা আল্লাহ রাহে কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে শরীক হওয়া। {আল কুরআন}

২-অধিক পছন্দনীয় জিহাদ জালিম বাদশার সামনে হক কথা বলা। {মুসনাদে আহমাদ, সুনানে বায়হাকী কুবরা, আল মুজামুল কাবীর}

৩-উত্তম জিহাদ হলো নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ। {দায়লামী, ইবনে নাজ্জার}

৪-মুখ দিয়ে, জান দিয়ে ও মাল দিয়েও জিহাদ করা যায়। {আবু দাউদ, আহমাদ, সহীহ ইবনে হিব্বান}

৫-জিহাদরত মুজাহিদদের পরিবারকে দেখাশোনা করাও জিহাদের অন্তর্ভূক্ত। {সহীহ মুসলিম, আবু দাউদ}

৬-জলভাগে জিহাদ করা স্থলভাগে জিহাদের তুলনায় ১০গুন সওয়াব।

৭-মুজাহিদদের সহযোগিতা করাও জিহাদ। {বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, নাসায়ী}

৮-মুজাহিদ সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর জন্য নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ করে। {তিরমিজী, ইবনে হিব্বান}

দ্রষ্টব্য-সহীহ কুনুজুস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যাহ, জিহাদের প্রকার ও ফজীলত অধ্যায়।

 

উত্তম জিহাদ কি?

এর উত্তরটি বুঝতে হলে প্রথমে একটি কথা জানতে হবে। সেটা হল-রাসূল সাঃ ব্যক্তি , কাল ও স্থানের পার্থক্যের কারণে এক আমলকে অন্য আমলের উপর শ্রেষ্টত্ব দিয়েছেন। যেমন-রাসূল সাঃ উত্তম আমল কি? এমন প্রশ্নের জবাব একেক সময়, ও একেক ব্যক্তিকে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলেছেন। যেমন-

১-

عن أم فروة قالت سئل رسول الله -صلى الله عليه وسلم- أى الأعمال أفضل قال « الصلاة فى أول وقتها

অনুবাদ-উম্মে ফারওয়া রাঃ রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করেন যে, কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন-প্রথম ওয়াক্তে নামায পড়া। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৪২৬}

২-

عن عبد الله بن حبشى الخثعمى : أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- سئل أى الأعمال أفضل قال : « طول القيام ».

অনুবাদ-আব্দুল্লাহ বিন হুবশী আল কাছআমী রাঃ বলেন। রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হল-কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন-দীর্ঘ সময় নামাযে দাঁড়িয়ে থাকা। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-১৩২৭}

৩-

عن أبي بكر الصديق أن رسول الله صلى الله عليه و سلم سئل أي الأعمال أفضل ؟

 : قال ( العج والثج 

অনুবাদ-হযরত আবু বকর রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হল কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন-তালবিয়া পড়া ও হাদী ও কুরবানীর পশু জবাই করা। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২৯২৪}

৪-

عن ابي هريرة قال : سئل رسول الله صلى الله عليه و سلم أي الأعمال أفضل وأي الأعمال خير ؟ قال إيمان بالله ورسوله

অনুবাদ-হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হল কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন-আল্লাহ ও তার রাসূলের উপর ঈমান আনা। {সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১৬৫৮}

৫-

عن عبد الله بن بسر المازني قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه و سلم فقال : يا رسول الله ___أي الأعمال أفضل قال أن تفارق الدنيا ولسانك رطب من ذكر الله عز و جل

অনুবাদ-হযরত আব্দুল্লাহ বিন বুসর আল মাজিনী রাঃ বলেন। একজন গ্রাম্য ব্যক্তি এসে রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করল-কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন-ব্যক্তি দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় এমতাবস্থায় যে, তার জিহবা আল্লাহর জিকিরে সিক্ত। {মুসনাদে ইবনুল জীদ, হাদীস নং-৩৪৩১}

৬-

عن زرارة بن أبي أوفى : ان النبي صلى الله عليه و سلم سئل أي العمل أفضل قال الحال المرتحل قيل وما الحال المرتحل قال صاحب القرآن يضرب من أول القرآن إلى آخره ومن آخره إلى أوله كلما حل ارتحل

অনুবাদ-হযরত জারারা বিন আবী আওফা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হল কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন-কুরআনে কারীমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ও শেষ থেকে শুরু পর্যন্ত পড়া। {মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-৩৪৭৬, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২৯৪৮}

৭-

عن أبي هريرة قال : سئل رسول الله صلى الله عليه و سلم أي الأعمال أفضل ؟

 قال : أن تدخل على أخيك المسلم سرورا أو تقضي عنه دينا أو تطعمه خبزا

অনুবাদ-হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হল যে, কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন-তোমার ভাইয়ের হাসি মুখে সাক্ষাৎ করা, বা তার ঋণ আদায় করা, বা তাকে রুটি (খাদ্য) খাওয়ানো। {শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৭২৭৩}

৮-

عن جابر بن عبد الله قال : قيل يا رسول الله أي الأعمال أفضل ؟ قال : الصبر و السماحة

অনুবাদ-হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাঃ বলেন। রাসূল সাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হল যে, কোন আমল উত্তম? তিনি জবাব দিলেন-ধৈর্য ধারণ ও উদারতা। {শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৯৭১০}

৯-

عن أبي سعيد الخدري : أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه و سلم فقال : يا رسول الله أي الأعمال أفضل ؟ فقال : ( رجل جاهد في سبيل الله بماله ونفسه )

অনুবাদ-হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ এর কাছে এক ব্যক্তি এসে জিজ্ঞাসা করল কোন আমল উত্তম? রাসূল সাঃ জবাব দিলেন-আল্লাহর রাস্তায় জান মাল খরচ করা উত্তম জিহাদ। {সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৬০৬}

এবার লক্ষ্য করুন-

জবাব নং-১

উল্লেখিত বর্ণনাগুলো থেকে দু’টি কথা বুঝা গেল। তথা-

১- জিহাদ শব্দটি একাধিক বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

২- স্থান-কাল ও পাত্র ভেদে একেকটি বিষয়ের গুরুত্ব বুঝাতে বিভিন্ন সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিভিন্ন বিষয় বলেছেন। যেমনটি আমরা রাসূল সাঃ কে করা একটি প্রশ্নের জবাবে একাধিক বিষয়ের গুরুত্বের বর্ণনাগুলোর দ্বারা দেখতে পাচ্ছি।

সুতরাং বুঝা গেল, রাসূল সাঃ নফসের বিরুদ্ধে জিহাদের গুরুত্ব বুঝাতে এটাকে জিহাদে আকবার তথা বড় জিহাদ বলা ও কিতাল ফি সাবিলিল্লাহকে জিহাদে আসগার বলার দ্বারা কিতাল ফি সাবিলিল্লাহকে ছোট করা নয়। সেই সাথে কিতাল ফি সাবিল্লাহ এর গুরুত্ব ও ফযীলত কম বলাও উদ্দেশ্য নয়। বরং স্থান-কাল পাত্রের ভিন্নতার কারণে রাসূল সাঃ বিশেষ কারণে কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদকে গুরুত্বারোপ করে বড় জিহাদ আখ্যা দিয়েছেন।

সুতরাং অসংখ্য আয়াত ও হাদীস দ্বারা অগণীত ফযীলত সম্বলিত কিতাল ফি সাবিলিল্লাহকে ছোট মনে করা আর নফসের জিহাদকে বড় মনে করাটা মূর্খতা বৈ কিছু নয়।

জবাব নং-২

“কিতাল ফি সাবিলিল্লাহ”ও এক হিসেবে নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ। কারণ নফসের বিরুদ্ধে জিহাদের মানেই হল শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে আল্লাহ বিধান লংঘন, কিংবা অনুত্তম কাজ ইত্যাদির বিপরীতে মনকে দূরে সরিয়ে রাখা।

“কিতাল ফি সাবিল্লাহ” মানে হল নিজের জানকে শত্রুর সামনে উপস্থাপিত করে আল্লাহর দ্বীনকে সমুন্নত রাখার নাম।

আর অস্ত্রধারী শত্রুর সামনে দুনিয়ার সুখ-শান্তি, আত্মীয়-স্বজনের মোহাব্বত পিছনে ফেলে বুকটান করে মৃত্যুর জন্য দাঁড়াতে স্বাভাবিকভাবেই নফস বাঁধা দিবে, নফসের সে খাহেশাতের বিরুদ্ধে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার মানসে দাঁড়ানোর চেয়ে নফসের বিরুদ্ধে বড় জিহাদ আর কী হতে পারে?

সুতরাং কিতাল ফি সাবিলিল্লাহ মূলত নফসের বিরুদ্ধে জিহাদেরই নামান্তর।

জবাব নং-৩

আল্লাহর রাহে জান কুরবান করার সময় যদি মানুষ তাকে বড় মুজাহিদ বলবে এমন নিয়ত থাকে, তাহলে এ জিহাদের কোন সওয়াব মুজাহিদ পাবে না। তাই মনকে এ বদ নিয়ত থেকে পবিত্র রাখা আবশ্যক।

কিন্তু বাস্তবতা হল অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করা অনেক সময় সহজ হয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু মন থেকে দুনিয়ার জশ-খ্যাতির লোভ সামাল দেয়া হয়ে পড়ে খুবই কঠিন।

এ অর্থে নফসের বিরুদ্ধে জেহাদই বড় জেহাদ কিতাল ফি সাবিলিল্লাহের তুলনায়।

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

উস্তাজুল ইফতা– জামিয়া কাসিমুল উলুম সালেহপুর, আমীনবাজার ঢাকা।

ইমেইল– ahlehaqmedia2014@gmail.com

Print Friendly, PDF & Email
বিস্তারিত জানতে ছবির উপর টাচ করুন

এটাও পড়ে দেখতে পারেন!

অযু করার মাঝে বায়ু বের হলে অযু আবার শুরু থেকে করতে হবে?

প্রশ্ন মোঃ হাবিবুল্লাহ প্রশ্ন: ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ অজু করিতেছি এমতাবস্থায় বা অজুর অধিকাংশ অঙ্গ …